দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার একটি ছোট গ্রাম মাকরাইল। একসময় এই গ্রামের নারীদের জীবন ছিল পুরোটাই গৃহকেন্দ্রিক। স্বামীর সামান্য উপার্জনেই সংসার চালাতে হতো তাদের। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। কেঁচো সার তৈরির মাধ্যমে এখন তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছেন স্বাবলম্বী, সংসারে এনেছেন আর্থিক সচ্ছলতা।
শুরুটা ছিল ২০১৬ সালের দিকে। স্থানীয় একটি এনজিওর পরামর্শে গ্রামের গৃহবধূ সুজনা খাতুন গোবর দিয়ে কেঁচো সার তৈরির কাজ শুরু করেন। তখন অল্প পরিসরে তিনি এ কাজ শুরু করেন। তবে খুব শিগগিরই তিনি বুঝতে পারেন, এই সারের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। তাই উৎপাদন বাড়াতে থাকেন তিনি। এখন নিজের উপার্জনেই তার সংসারের সব খরচই তিনি নির্বাহ করতে পারেন।
সুজনা বলেন, ‘গোবর ফেলে না দিয়ে তা দিয়ে প্রথমে আমি কাজ শুরু করি। এরপর আমাকে দেখে অনেকেই উৎসাহী হয়। একে একে এখন গ্রামের ৫০ জন নারী এই কাজ করছেন। আমার এই আয় থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছি, সংসারে দিচ্ছি এমনকি স্বামীকেও সহযোগিতা করতে পারছি। আমি সফলতা পেয়েছি।’
সুজনার পথ অনুসরণ করে আরেক নারী মজিদা খাতুন নিজের বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন কেঁচো সার উৎপাদনের একটি ইউনিট। তিনি জানান, সংসারের কাজ সামলে সময় বের করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন এই উদ্যোগ, দেখছেন সফলতার মুখ। স্বামীর পাশাপাশি সংসারে এখন তিনিও আর্থিক সহযোগিতা করতে পারছেন।
মধ্যবয়সী নারী সুফিয়া খাতুন কেঁচো সার বিক্রি করে সেই টাকায় কিনেছেন দুটো গরু। গরু থেকে পাচ্ছেন গোবর, যা আবার কাজে লাগছে সার তৈরিতে। সম্প্রতি তিনি ৪০ মণ কেঁচো সার বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই কেঁচো সার করে আমরা সবাই ভালো আছি এখন। যত দিন বেঁচে আছি, এটাই করে যাব।’
এই নারীদের অগ্রযাত্রায় গর্বিত এলাকাবাসী। তাঁরা বলছেন, এখন স্বামীরা বাইরে উপার্জন করছেন, স্ত্রীরাও ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করছেন। তাতে বদলে গেছে সংসারের ভাগ্য।
এদিকে গ্রামের নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার এই খবর পৌঁছেছে কৃষি বিভাগেও। উদ্যোক্তা নারীদের উন্নয়নে গত দুই বছর ধরে সরকারি নানা সহযোগিতা করছে তারা।
মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, প্রতি কেজি কেঁচো সার বিক্রি হয় ১০ টাকা দরে। আর একজন নারী গড়ে মাসে ১ হাজার কেজি সার উৎপাদন করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার টাকা। স্থানীয় কৃষকেরা যেমন আগ্রহ নিয়ে এই সার কিনছেন, তেমনি কৃষি অফিস থেকেও তা কেনা হয়।
এ নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রায়হানুল হক বলেন, প্রাকৃতিক সার হিসেবে কেঁচো সার শুধু মাটির উর্বরতাই বাড়ায় না, বাড়ায় ফসলের ফলনও। মাকরাইল গ্রামের এই অংশ এখন পরিচিত পাচ্ছে কেঁচো সারের গ্রাম নামে। যা কৃষি অফিসের একটি মাইলফলক। আমরা তাদের পাশে আছি, সব সময়ই। এই সাফল্যের গল্প শুধু জীবিকা নয়, এটা নারীর ক্ষমতায়নেরও গল্প। গ্রামের নারীরা এখন কেবল গৃহিণী নন, বরং হয়েছেন একজন প্রকৃত উদ্যোক্তা। সংসার চালনার পাশাপাশি জীবিকার চাবিকাঠিও এখন তাদের হাতেই।

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার একটি ছোট গ্রাম মাকরাইল। একসময় এই গ্রামের নারীদের জীবন ছিল পুরোটাই গৃহকেন্দ্রিক। স্বামীর সামান্য উপার্জনেই সংসার চালাতে হতো তাদের। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। কেঁচো সার তৈরির মাধ্যমে এখন তারা নিজেরাই হয়ে উঠেছেন স্বাবলম্বী, সংসারে এনেছেন আর্থিক সচ্ছলতা।
শুরুটা ছিল ২০১৬ সালের দিকে। স্থানীয় একটি এনজিওর পরামর্শে গ্রামের গৃহবধূ সুজনা খাতুন গোবর দিয়ে কেঁচো সার তৈরির কাজ শুরু করেন। তখন অল্প পরিসরে তিনি এ কাজ শুরু করেন। তবে খুব শিগগিরই তিনি বুঝতে পারেন, এই সারের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। তাই উৎপাদন বাড়াতে থাকেন তিনি। এখন নিজের উপার্জনেই তার সংসারের সব খরচই তিনি নির্বাহ করতে পারেন।
সুজনা বলেন, ‘গোবর ফেলে না দিয়ে তা দিয়ে প্রথমে আমি কাজ শুরু করি। এরপর আমাকে দেখে অনেকেই উৎসাহী হয়। একে একে এখন গ্রামের ৫০ জন নারী এই কাজ করছেন। আমার এই আয় থেকে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালাচ্ছি, সংসারে দিচ্ছি এমনকি স্বামীকেও সহযোগিতা করতে পারছি। আমি সফলতা পেয়েছি।’
সুজনার পথ অনুসরণ করে আরেক নারী মজিদা খাতুন নিজের বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন কেঁচো সার উৎপাদনের একটি ইউনিট। তিনি জানান, সংসারের কাজ সামলে সময় বের করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন এই উদ্যোগ, দেখছেন সফলতার মুখ। স্বামীর পাশাপাশি সংসারে এখন তিনিও আর্থিক সহযোগিতা করতে পারছেন।
মধ্যবয়সী নারী সুফিয়া খাতুন কেঁচো সার বিক্রি করে সেই টাকায় কিনেছেন দুটো গরু। গরু থেকে পাচ্ছেন গোবর, যা আবার কাজে লাগছে সার তৈরিতে। সম্প্রতি তিনি ৪০ মণ কেঁচো সার বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই কেঁচো সার করে আমরা সবাই ভালো আছি এখন। যত দিন বেঁচে আছি, এটাই করে যাব।’
এই নারীদের অগ্রযাত্রায় গর্বিত এলাকাবাসী। তাঁরা বলছেন, এখন স্বামীরা বাইরে উপার্জন করছেন, স্ত্রীরাও ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করছেন। তাতে বদলে গেছে সংসারের ভাগ্য।
এদিকে গ্রামের নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার এই খবর পৌঁছেছে কৃষি বিভাগেও। উদ্যোক্তা নারীদের উন্নয়নে গত দুই বছর ধরে সরকারি নানা সহযোগিতা করছে তারা।
মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, প্রতি কেজি কেঁচো সার বিক্রি হয় ১০ টাকা দরে। আর একজন নারী গড়ে মাসে ১ হাজার কেজি সার উৎপাদন করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার টাকা। স্থানীয় কৃষকেরা যেমন আগ্রহ নিয়ে এই সার কিনছেন, তেমনি কৃষি অফিস থেকেও তা কেনা হয়।
এ নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রায়হানুল হক বলেন, প্রাকৃতিক সার হিসেবে কেঁচো সার শুধু মাটির উর্বরতাই বাড়ায় না, বাড়ায় ফসলের ফলনও। মাকরাইল গ্রামের এই অংশ এখন পরিচিত পাচ্ছে কেঁচো সারের গ্রাম নামে। যা কৃষি অফিসের একটি মাইলফলক। আমরা তাদের পাশে আছি, সব সময়ই। এই সাফল্যের গল্প শুধু জীবিকা নয়, এটা নারীর ক্ষমতায়নেরও গল্প। গ্রামের নারীরা এখন কেবল গৃহিণী নন, বরং হয়েছেন একজন প্রকৃত উদ্যোক্তা। সংসার চালনার পাশাপাশি জীবিকার চাবিকাঠিও এখন তাদের হাতেই।

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
৩১ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে