গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

দুই সপ্তাহ আগে চোখে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন আনিকা খাতুন (১৮)। স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতিসহ করছিলেন অতিথি আপ্যায়নের আয়োজন। সকালে স্বামী শাকিল হোসেন (২৩) বাজার করে দিয়ে তাঁর কর্মস্থল ইটভাটায় চলে যান। সকাল ১০টায় আনিকার মোবাইলে একটি কলে খবর আসে ট্রাক্টরের চাপায় নিহত হয়েছেন তাঁর স্বামী। আচমকা এ খবরে যেন আকাশ ভেঙে পড়ে আনিকার মাথায়, আর্তচিৎকারে ভারী হয়ে আসে চারপাশের বাতাস।
আজ শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর এলাকার গাড়িষাপাড়া মহল্লার মরহুম দশরত প্রামাণিকের ছেলে জাহিদুল ইসলামের ইটভাটায়। নিহত শাকিল গুরুদাসপুর পৌর সদরের গাড়িষাপাড়া মহল্লার আব্দুল খালেক প্রামাণিকের একমাত্র ছেলে। আনিকা খাতুন গুরুদাসপুর পৌরসভার আনন্দনগর মহল্লার আলম প্রামাণিকের মেয়ে।
ইটভাটায় মাটি সরবরাহকারী ট্রাক্টরটির চালক মো. রতন আলী (২২)। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
নিহত শাকিলের স্বজন ও এলাকাবাসী বলছে, শাকিল আহম্মেদ দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় জাহিদুলের ইটভাটায় কাজ করেন। আজ সকালে প্রতিদিনের মতো তিনি ভাটায় কাজে যান। ভাটায় মাটি বহনকারী ট্রাক্টরে করে মাটি আনা হচ্ছিল। সেই মাটি দেখভাল করছিলেন শাকিল। মাটি বহনকারী ট্রাক্টর মাটি আনলোড করার সময় শাকিল ট্রাক্টরের পেছনে ছিলেন। এ সময় ট্রাক্টরটি শাকিলকে চাপা দেয়। তাঁর পেটের ওপর দিয়ে চলে যায় ট্রাক্টর। সঙ্গে সঙ্গে ভাটার লোকজন এসে শাকিলের মাথায় পানি ঢালতে থাকেন এবং পরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ইটভাটার মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে শাকিল আমাদের বাসা ও ইটভাটায় কাজ করে। তার অকালমৃত্যুতে ব্যথিত হয়েছি। আমার পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেব।’
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

দুই সপ্তাহ আগে চোখে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন আনিকা খাতুন (১৮)। স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতিসহ করছিলেন অতিথি আপ্যায়নের আয়োজন। সকালে স্বামী শাকিল হোসেন (২৩) বাজার করে দিয়ে তাঁর কর্মস্থল ইটভাটায় চলে যান। সকাল ১০টায় আনিকার মোবাইলে একটি কলে খবর আসে ট্রাক্টরের চাপায় নিহত হয়েছেন তাঁর স্বামী। আচমকা এ খবরে যেন আকাশ ভেঙে পড়ে আনিকার মাথায়, আর্তচিৎকারে ভারী হয়ে আসে চারপাশের বাতাস।
আজ শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর এলাকার গাড়িষাপাড়া মহল্লার মরহুম দশরত প্রামাণিকের ছেলে জাহিদুল ইসলামের ইটভাটায়। নিহত শাকিল গুরুদাসপুর পৌর সদরের গাড়িষাপাড়া মহল্লার আব্দুল খালেক প্রামাণিকের একমাত্র ছেলে। আনিকা খাতুন গুরুদাসপুর পৌরসভার আনন্দনগর মহল্লার আলম প্রামাণিকের মেয়ে।
ইটভাটায় মাটি সরবরাহকারী ট্রাক্টরটির চালক মো. রতন আলী (২২)। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
নিহত শাকিলের স্বজন ও এলাকাবাসী বলছে, শাকিল আহম্মেদ দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় জাহিদুলের ইটভাটায় কাজ করেন। আজ সকালে প্রতিদিনের মতো তিনি ভাটায় কাজে যান। ভাটায় মাটি বহনকারী ট্রাক্টরে করে মাটি আনা হচ্ছিল। সেই মাটি দেখভাল করছিলেন শাকিল। মাটি বহনকারী ট্রাক্টর মাটি আনলোড করার সময় শাকিল ট্রাক্টরের পেছনে ছিলেন। এ সময় ট্রাক্টরটি শাকিলকে চাপা দেয়। তাঁর পেটের ওপর দিয়ে চলে যায় ট্রাক্টর। সঙ্গে সঙ্গে ভাটার লোকজন এসে শাকিলের মাথায় পানি ঢালতে থাকেন এবং পরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ইটভাটার মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে শাকিল আমাদের বাসা ও ইটভাটায় কাজ করে। তার অকালমৃত্যুতে ব্যথিত হয়েছি। আমার পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেব।’
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে