গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের গুরুদাসপুরে স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক টিকা পুশ করে গণটিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা পরিববার কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ওই দিন সকালে নাজিরপুর ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী প্রথমে চন্দ্রপুর-তুলাধুনা কেন্দ্রে এবং পরে আরও দুটি কেন্দ্রে নিজে টিকা পুশ করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা চেয়ারম্যানকে বাধা দিলে তিনি স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক টিকা পুশ করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী এক বৃদ্ধাকে টিকা পুশ করছেন। তাঁকে ঘিরে রেখেছেন তাঁর কর্মী সমর্থকেরা। ওই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টিকাদান কার্যক্রমের দায়িত্বরত ৫ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুরের তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে চন্দ্রপুর-ধুলাধুনা কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন মো. হারিজ, চকআদালত খাঁ কেন্দ্রে মো. শিহাব উদ্দিন ও নাজিরপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সহকারী নাজনীন আক্তার আমীন। এ ছাড়া টিকাদান কর্মসূচির সমন্বয়ক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মুছাদ্দুর রহমান ও স্যাকমো আশরাফুল আলমও করোনার টিকাদানের দায়িত্বে ছিলেন।
টিকাদানের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী হারিজ জানান, চন্দ্রপুর-তুলাধুনা মোড় কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। সকাল প্রায় ১০টার দিকে চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী টিকা পুশ করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে চান। এ সময় তিনি চেয়ারম্যানকে বাধা দিলেও চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী তা মেনে জোরপূর্বক এক বৃদ্ধের শরীরে টিকা পুশ করেন। একই কথা জানান আরও দুই স্বাস্থ্য সহকারী।
নাজিরপুর ইউনিয়ন টিকাদান কর্মসূচির সমন্বয়ক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মুছাদ্দুর রহমান জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি খবর পান সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী গণটিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর সকাল দশটার পর তিনি জানতে পারেন টিকাদানের দায়িত্বরত স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা নিষেধ উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান নিজেই টিকা ভর্তি সিরিঞ্জটি একজনের শরীরে পুশ করেন। এভাবে পর্যায়ক্রমে তিনটি কেন্দ্রেই তিনি টিকা পুশ করেন।
চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কারও শরীরে টিকা পুশ করেননি। স্বাস্থ্য কর্মীদের অনুরোধে তিনি সিরিঞ্জ হাতে পুশ করার পোজে ছবি উঠেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী ও স্যাকমো ছাড়া অন্য কেউ কোনো প্রকার টিকা পুশ করতে পারবেন না। নাজিরপুরের তিনটি কেন্দ্রে ইউপি চেয়ারম্যানের টিকা পুশ করার ব্যাপারটি দুঃখজনক। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য ৫ স্বাস্থ্য কর্মীদের নোটিশ দিলে তারা সন্তোষজনক উত্তর দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নাটোরের গুরুদাসপুরে স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক টিকা পুশ করে গণটিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা পরিববার কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ওই দিন সকালে নাজিরপুর ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী প্রথমে চন্দ্রপুর-তুলাধুনা কেন্দ্রে এবং পরে আরও দুটি কেন্দ্রে নিজে টিকা পুশ করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা চেয়ারম্যানকে বাধা দিলে তিনি স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক টিকা পুশ করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী এক বৃদ্ধাকে টিকা পুশ করছেন। তাঁকে ঘিরে রেখেছেন তাঁর কর্মী সমর্থকেরা। ওই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টিকাদান কার্যক্রমের দায়িত্বরত ৫ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুরের তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে চন্দ্রপুর-ধুলাধুনা কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন মো. হারিজ, চকআদালত খাঁ কেন্দ্রে মো. শিহাব উদ্দিন ও নাজিরপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সহকারী নাজনীন আক্তার আমীন। এ ছাড়া টিকাদান কর্মসূচির সমন্বয়ক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মুছাদ্দুর রহমান ও স্যাকমো আশরাফুল আলমও করোনার টিকাদানের দায়িত্বে ছিলেন।
টিকাদানের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী হারিজ জানান, চন্দ্রপুর-তুলাধুনা মোড় কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। সকাল প্রায় ১০টার দিকে চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী টিকা পুশ করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে চান। এ সময় তিনি চেয়ারম্যানকে বাধা দিলেও চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী তা মেনে জোরপূর্বক এক বৃদ্ধের শরীরে টিকা পুশ করেন। একই কথা জানান আরও দুই স্বাস্থ্য সহকারী।
নাজিরপুর ইউনিয়ন টিকাদান কর্মসূচির সমন্বয়ক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মুছাদ্দুর রহমান জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি খবর পান সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী গণটিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর সকাল দশটার পর তিনি জানতে পারেন টিকাদানের দায়িত্বরত স্বাস্থ্য কর্মীদের বাধা নিষেধ উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান নিজেই টিকা ভর্তি সিরিঞ্জটি একজনের শরীরে পুশ করেন। এভাবে পর্যায়ক্রমে তিনটি কেন্দ্রেই তিনি টিকা পুশ করেন।
চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কারও শরীরে টিকা পুশ করেননি। স্বাস্থ্য কর্মীদের অনুরোধে তিনি সিরিঞ্জ হাতে পুশ করার পোজে ছবি উঠেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী ও স্যাকমো ছাড়া অন্য কেউ কোনো প্রকার টিকা পুশ করতে পারবেন না। নাজিরপুরের তিনটি কেন্দ্রে ইউপি চেয়ারম্যানের টিকা পুশ করার ব্যাপারটি দুঃখজনক। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য ৫ স্বাস্থ্য কর্মীদের নোটিশ দিলে তারা সন্তোষজনক উত্তর দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে