লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংরক্ষণ) মো. রবিউল আওয়ালকে প্রধান প্রকৌশলী (প্ল্যান্ট ম্যানেজার) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তিনি নতুন পদে দায়িত্ব নেন। রবিউল আওয়ালের গ্রামের বাড়ি নাটোরের লালপুরে।
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এনডব্লিউপিজিসিএল) একটি প্রতিষ্ঠান।
গত মঙ্গলবার নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, নতুন পদে রবিউল আওয়ালের যোগদান করার তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য চাকরির চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চাকরিবিধি ও চুক্তি অনুযায়ী বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন তিনি।
রবিউল আওয়াল ১৯৭৯ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর নাটোরের লালপুর উপজেলার তিলোকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৭ সালে গোপালপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৯৭ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এ ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বিভাগে ভর্তি হন এবং ২০০৩ সালে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
২০০৪ সালে বড়পুকুরিয়া কোলমাইনিং কোম্পানিতে সহকারী ব্যবস্থাপক তড়িৎ পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে যোগদানের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেক্টরে প্রবেশ করেন এবং ২০১৪ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংরক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংরক্ষণ) মো. রবিউল আওয়ালকে প্রধান প্রকৌশলী (প্ল্যান্ট ম্যানেজার) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তিনি নতুন পদে দায়িত্ব নেন। রবিউল আওয়ালের গ্রামের বাড়ি নাটোরের লালপুরে।
ভেড়ামারা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এনডব্লিউপিজিসিএল) একটি প্রতিষ্ঠান।
গত মঙ্গলবার নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, নতুন পদে রবিউল আওয়ালের যোগদান করার তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য চাকরির চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চাকরিবিধি ও চুক্তি অনুযায়ী বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন তিনি।
রবিউল আওয়াল ১৯৭৯ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর নাটোরের লালপুর উপজেলার তিলোকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৭ সালে গোপালপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৯৭ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এ ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বিভাগে ভর্তি হন এবং ২০০৩ সালে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
২০০৪ সালে বড়পুকুরিয়া কোলমাইনিং কোম্পানিতে সহকারী ব্যবস্থাপক তড়িৎ পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে যোগদানের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেক্টরে প্রবেশ করেন এবং ২০১৪ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংরক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে