বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধে ৬ জনকে পিটিয়ে আহতের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বড়াইগ্রাম থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নগর ইউনিয়নের দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার দোগাছী গ্রামের মৃত কাইউম উদ্দিনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৫৮), আব্দুস সাত্তার মণ্ডল (৬০), মঞ্জিল হোসেন (৩৩), রিয়াজ উদ্দিন মুন্নার ছেলে কোরবান আলী (৬০), মৃত মামুদ আলী মণ্ডলের ছেললে আকুল মণ্ডল (৫০) ও আকুল মণ্ডলের স্ত্রী শরীফা বেগম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাবর আলী মণ্ডলের ছেলে শহীদ মণ্ডল (৪৫) ও শহীদ মণ্ডলের ছেলে সাগর হোসেন (২২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবর আলী মণ্ডলের পূর্ব ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমি কিনে ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন আমজাদ হোসেন। গতকাল সেই জমিতে বাবর আলী মণ্ডলের ছেলে এবাদুল মণ্ডল (৩৫) পাটের বীজ রোপণ করেন। এ সময় আমজাদ হোসেন তাঁকে বীজ রোপণ করতে নিষেধ করলে এবাদুল হোসেন তাঁর ভাই শহীদ মণ্ডল, মোহিত মণ্ডল, আসাদুল মণ্ডলসহ ১৫-২০ জনকে নিয়ে ছাত্তার মণ্ডলের বাড়ির উঠানে এসে ছাত্তার মণ্ডল, তাঁর ভাই আমজাদ হোসেন ও মঞ্জিল হোসেনের মাথায় ও পায়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় তাঁদের উদ্ধার করতে এসে কোরবান আলী নামে আরেকজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে আহত আমজাদ হোসেনের ভাই মঞ্জিল হোসেন বলেন, ‘আমরা জমি কিনে ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি। এর আগে স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা মানেন না। আমার দুই ভাইয়ের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।’
আহত আকুল মণ্ডল বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে এবাদুল মণ্ডলের জমি দীর্ঘদিন যাবৎ আমজান হোসেন দখল করে আসছিল। এবাদুল মণ্ডল সেই জমি দখল গেলে তাঁকে মারার জন্য ঘিরে ধরে তারা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। আমি ঠেকাতে গেলে আমজাদ হোসেন আমাকে হাঁসিয়া দিয়ে কোপ দেয়।’
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক আবু সিদ্দিক বলেন, আহত আমজাদ হোসেনের ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নাটোরের বড়াইগ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধে ৬ জনকে পিটিয়ে আহতের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বড়াইগ্রাম থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নগর ইউনিয়নের দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার দোগাছী গ্রামের মৃত কাইউম উদ্দিনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৫৮), আব্দুস সাত্তার মণ্ডল (৬০), মঞ্জিল হোসেন (৩৩), রিয়াজ উদ্দিন মুন্নার ছেলে কোরবান আলী (৬০), মৃত মামুদ আলী মণ্ডলের ছেললে আকুল মণ্ডল (৫০) ও আকুল মণ্ডলের স্ত্রী শরীফা বেগম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাবর আলী মণ্ডলের ছেলে শহীদ মণ্ডল (৪৫) ও শহীদ মণ্ডলের ছেলে সাগর হোসেন (২২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবর আলী মণ্ডলের পূর্ব ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমি কিনে ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন আমজাদ হোসেন। গতকাল সেই জমিতে বাবর আলী মণ্ডলের ছেলে এবাদুল মণ্ডল (৩৫) পাটের বীজ রোপণ করেন। এ সময় আমজাদ হোসেন তাঁকে বীজ রোপণ করতে নিষেধ করলে এবাদুল হোসেন তাঁর ভাই শহীদ মণ্ডল, মোহিত মণ্ডল, আসাদুল মণ্ডলসহ ১৫-২০ জনকে নিয়ে ছাত্তার মণ্ডলের বাড়ির উঠানে এসে ছাত্তার মণ্ডল, তাঁর ভাই আমজাদ হোসেন ও মঞ্জিল হোসেনের মাথায় ও পায়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় তাঁদের উদ্ধার করতে এসে কোরবান আলী নামে আরেকজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে আহত আমজাদ হোসেনের ভাই মঞ্জিল হোসেন বলেন, ‘আমরা জমি কিনে ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি। এর আগে স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা মানেন না। আমার দুই ভাইয়ের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।’
আহত আকুল মণ্ডল বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে এবাদুল মণ্ডলের জমি দীর্ঘদিন যাবৎ আমজান হোসেন দখল করে আসছিল। এবাদুল মণ্ডল সেই জমি দখল গেলে তাঁকে মারার জন্য ঘিরে ধরে তারা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। আমি ঠেকাতে গেলে আমজাদ হোসেন আমাকে হাঁসিয়া দিয়ে কোপ দেয়।’
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক আবু সিদ্দিক বলেন, আহত আমজাদ হোসেনের ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে