আসাদুজ্জামান রিপন, নরসিংদী

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছে ২০১১ সালে। পাঁচ বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও সীমানা নির্ধারণ-সংক্রান্ত মামলার জটিলতায় ইউনিয়ন পরিষদটিতে নির্বাচন হচ্ছে না। ফলে ২০১১ সালের নির্বাচনে জয়ী চেয়ারম্যান ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এই সময়ের মধ্যে দুজন ইউপি সদস্যের মৃত্যুতে শূন্য রয়েছে পদ দুটি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইউপি কার্যালয়টিতে তালা ঝুলছে। কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি কাউকে। স্থানীয়দের মধ্যে অন্তত আটজনের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের অভিযোগ, দুই বছরের মধ্যে কার্যালয়ের তালা খুলতে দেখেননি। জন্মসনদসহ সব সেবা ইউপি চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের গ্রামের বাড়ি ও তাঁর গ্রামের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে আনতে হয়। অধিকাংশ সময় তিনি এলাকার বাইরে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ হাজার ভোটারের ইউনিয়নটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোমেন সরকার। ২০১৬ সালে ইউনিয়নটির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে এর বিরুদ্ধে মোমেন সরকার উচ্চ আদালতে মামলা করেন। মামলা চলমান থাকায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
এলাকাবাসী বলছেন, চেয়ারম্যান ঠিকমতো ইউপি কার্যালয়ে আসেন না। ফলে প্রয়োজনীয় সেবা থেকে নিয়মিত বঞ্চিত হতে হচ্ছে তাঁদের। স্থানীয়রা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়টি ওই ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে অবস্থিত এবং অধিকাংশ সময় কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় ও মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, নদীভাঙনের জন্য সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতা ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের করা মামলা উচ্চ আদালতে এখনো চলছে।
এদিকে ২০১৬ সালে ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মৌলান মিয়া এবং ২০২০ সালে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. দানা মিয়ার মৃত্যু হয়। ফলে ওয়ার্ড দুটিতে ইউপি সদস্য ছাড়াই চলছে কার্যক্রম। এতে ওয়ার্ডগুলোতে সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
চাঁনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ আদালতেও গিয়েছি।’
চেয়ারম্যান মোমেন সরকার বলেন, ‘সীমানা নির্ধারণ নিয়ে মামলা থাকায় এবং উচ্চ আদালতে নির্বাচন স্থিতি অবস্থার রায় থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আমি এলাকায় নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আটকে রাখার আমি কেউ নই। এ বিষয়ে আদালত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন।’
জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরাও চাই নির্বাচন হোক। কিন্তু মামলা জটিলতায় পারছি না। আদালতের সর্বশেষ আদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম বলেন, ‘ইউনিয়নটিতে মামলা-মোকদ্দমা জটিলতায় দীর্ঘদিন নির্বাচন আটকে আছে। ওখানে প্রশাসক নিয়োগ করা যায় কি না, বিষয়টি আমরা দেখব।’

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছে ২০১১ সালে। পাঁচ বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও সীমানা নির্ধারণ-সংক্রান্ত মামলার জটিলতায় ইউনিয়ন পরিষদটিতে নির্বাচন হচ্ছে না। ফলে ২০১১ সালের নির্বাচনে জয়ী চেয়ারম্যান ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এই সময়ের মধ্যে দুজন ইউপি সদস্যের মৃত্যুতে শূন্য রয়েছে পদ দুটি।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইউপি কার্যালয়টিতে তালা ঝুলছে। কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি কাউকে। স্থানীয়দের মধ্যে অন্তত আটজনের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের অভিযোগ, দুই বছরের মধ্যে কার্যালয়ের তালা খুলতে দেখেননি। জন্মসনদসহ সব সেবা ইউপি চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের গ্রামের বাড়ি ও তাঁর গ্রামের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে আনতে হয়। অধিকাংশ সময় তিনি এলাকার বাইরে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ হাজার ভোটারের ইউনিয়নটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোমেন সরকার। ২০১৬ সালে ইউনিয়নটির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে এর বিরুদ্ধে মোমেন সরকার উচ্চ আদালতে মামলা করেন। মামলা চলমান থাকায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
এলাকাবাসী বলছেন, চেয়ারম্যান ঠিকমতো ইউপি কার্যালয়ে আসেন না। ফলে প্রয়োজনীয় সেবা থেকে নিয়মিত বঞ্চিত হতে হচ্ছে তাঁদের। স্থানীয়রা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়টি ওই ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে অবস্থিত এবং অধিকাংশ সময় কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে।
রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় ও মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, নদীভাঙনের জন্য সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতা ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান মোমেন সরকারের করা মামলা উচ্চ আদালতে এখনো চলছে।
এদিকে ২০১৬ সালে ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মৌলান মিয়া এবং ২০২০ সালে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. দানা মিয়ার মৃত্যু হয়। ফলে ওয়ার্ড দুটিতে ইউপি সদস্য ছাড়াই চলছে কার্যক্রম। এতে ওয়ার্ডগুলোতে সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
চাঁনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ আদালতেও গিয়েছি।’
চেয়ারম্যান মোমেন সরকার বলেন, ‘সীমানা নির্ধারণ নিয়ে মামলা থাকায় এবং উচ্চ আদালতে নির্বাচন স্থিতি অবস্থার রায় থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আমি এলাকায় নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আটকে রাখার আমি কেউ নই। এ বিষয়ে আদালত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন।’
জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরাও চাই নির্বাচন হোক। কিন্তু মামলা জটিলতায় পারছি না। আদালতের সর্বশেষ আদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম বলেন, ‘ইউনিয়নটিতে মামলা-মোকদ্দমা জটিলতায় দীর্ঘদিন নির্বাচন আটকে আছে। ওখানে প্রশাসক নিয়োগ করা যায় কি না, বিষয়টি আমরা দেখব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে