নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর পলাশের জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে তিন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। আজ রোববার বেলা সোয়া ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টার মধ্যে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
প্রার্থীরা হলেন ঘোড়া প্রতীকের মাসুদ খান, টেলিফোন প্রতীকের কাজী রফিকুল ইসলাম ও আনারস প্রতীকের অ্যাডভোকেট জুটন চন্দ্র দত্ত। জিনারদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, আজ সকাল থেকে বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রে তাঁদের এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট ছিলেন তাঁদেরও মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়া হয়। প্রায় সব কেন্দ্রে প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারাসহ ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে ভোটাররা তাঁদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেননি। এসব অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনকে বারবার মোবাইলে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জুটন চন্দ্র দত্ত বলেন, ‘নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীর সমর্থকেরা ভোট প্রচারের শুরু থেকেই বিভিন্নভাবে আমার কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাধা সৃষ্টি করছিল। ভোটের দিন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে ভোট চুরি করা হবে এমন আশঙ্কা করে একাধিকবার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবু কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।’
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে একাধিকবার নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীকে মোবাইল করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোসাম্মাৎ জোবাইদা খাতুন বলেন, ‘জিনারদী ইউনিয়নের তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে যেসব অনিয়মের কারণে তাঁরা নির্বাচন বর্জন করেছেন, সেসব বিষয়ে আমরা কোনো কেন্দ্র থেকে অভিযোগ পাইনি।’
মোসাম্মাৎ জোবাইদা খাতুন আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নরসিংদীর পলাশের জিনারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে তিন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। আজ রোববার বেলা সোয়া ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টার মধ্যে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
প্রার্থীরা হলেন ঘোড়া প্রতীকের মাসুদ খান, টেলিফোন প্রতীকের কাজী রফিকুল ইসলাম ও আনারস প্রতীকের অ্যাডভোকেট জুটন চন্দ্র দত্ত। জিনারদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, আজ সকাল থেকে বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রে তাঁদের এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট ছিলেন তাঁদেরও মারধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়া হয়। প্রায় সব কেন্দ্রে প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারাসহ ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছে। এতে ভোটাররা তাঁদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেননি। এসব অনিয়মের অভিযোগ প্রশাসনকে বারবার মোবাইলে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জুটন চন্দ্র দত্ত বলেন, ‘নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীর সমর্থকেরা ভোট প্রচারের শুরু থেকেই বিভিন্নভাবে আমার কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাধা সৃষ্টি করছিল। ভোটের দিন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে ভোট চুরি করা হবে এমন আশঙ্কা করে একাধিকবার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। তবু কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।’
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে একাধিকবার নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম গাজীকে মোবাইল করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোসাম্মাৎ জোবাইদা খাতুন বলেন, ‘জিনারদী ইউনিয়নের তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে যেসব অনিয়মের কারণে তাঁরা নির্বাচন বর্জন করেছেন, সেসব বিষয়ে আমরা কোনো কেন্দ্র থেকে অভিযোগ পাইনি।’
মোসাম্মাৎ জোবাইদা খাতুন আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে