নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর শিবপুরে কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের বিল জালিয়াতির মাধ্যমে ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের (পিআইও) দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৫২ লাখ টাকা।
দুজনকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কার্যালয় থেকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পিআইও জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসাইন।
অভিযুক্ত দুজন হলেন পিআইও কার্যালয়ের কার্য সহকারী (প্রকল্প) আরিফুল ইসলাম তুহিন (৩৫) এবং পিয়ন (আউটসোর্সিং) আশিক ভূঁইয়া (২৫)। তুহিন শিবপুর উপজেলা সদরের এবং আশিক উপজেলার খড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
পিআইও জাহাঙ্গীরের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর কার্যালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের ১৯১টি বিল হিসাবরক্ষণ দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু বাজেট না থাকায় এর মধ্যে ৮১টি বিল ২৬ জুন ফেরত আসে। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থার দৃষ্টিগোচর হলে তারা পিআইও কার্যালয়ে গোপনে অনুসন্ধান চালায়। সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রাথমিক অনুসন্ধানে কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলনের প্রমাণ মেলে।
দুজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইওর স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে ৮১টি বিলের টাকা উত্তোলন করে নিজস্ব হিসাবে জমা করেছিলেন। এসব তথ্য শিবপুর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনে উপস্থাপন করা হলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গতকাল রাতে কার্যালয় থেকে পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা তাঁদের অপরাধ স্বীকার করেন এবং তাঁরা কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের আত্মসাৎ করা মোট ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার মধ্যে ৫২ লাখ টাকা পুলিশের কাছে জমা দেন।
শিবপুর থানার ওসি আফজাল বলেন, পিআইওর অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৫২ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার মূল হোতা তুহিন। অভিযোগটি দুদকে প্রেরণ এবং অভিযুক্তদের আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

নরসিংদীর শিবপুরে কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের বিল জালিয়াতির মাধ্যমে ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের (পিআইও) দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ৫২ লাখ টাকা।
দুজনকে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কার্যালয় থেকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পিআইও জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসাইন।
অভিযুক্ত দুজন হলেন পিআইও কার্যালয়ের কার্য সহকারী (প্রকল্প) আরিফুল ইসলাম তুহিন (৩৫) এবং পিয়ন (আউটসোর্সিং) আশিক ভূঁইয়া (২৫)। তুহিন শিবপুর উপজেলা সদরের এবং আশিক উপজেলার খড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
পিআইও জাহাঙ্গীরের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর কার্যালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের ১৯১টি বিল হিসাবরক্ষণ দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু বাজেট না থাকায় এর মধ্যে ৮১টি বিল ২৬ জুন ফেরত আসে। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) সংস্থার দৃষ্টিগোচর হলে তারা পিআইও কার্যালয়ে গোপনে অনুসন্ধান চালায়। সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রাথমিক অনুসন্ধানে কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলনের প্রমাণ মেলে।
দুজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইওর স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে ৮১টি বিলের টাকা উত্তোলন করে নিজস্ব হিসাবে জমা করেছিলেন। এসব তথ্য শিবপুর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনে উপস্থাপন করা হলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গতকাল রাতে কার্যালয় থেকে পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা তাঁদের অপরাধ স্বীকার করেন এবং তাঁরা কাবিখা ও টিআর প্রকল্পের আত্মসাৎ করা মোট ৫২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার মধ্যে ৫২ লাখ টাকা পুলিশের কাছে জমা দেন।
শিবপুর থানার ওসি আফজাল বলেন, পিআইওর অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৫২ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার মূল হোতা তুহিন। অভিযোগটি দুদকে প্রেরণ এবং অভিযুক্তদের আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে রয়েছেন তিনজন।
১৪ মিনিট আগে
দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে।
১৭ মিনিট আগে
যাচাই করে দেখেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজ এখনো পাননি। কিন্তু সীমা যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও দেন, সে অভিযোগ সত্য।
৪০ মিনিট আগে
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদনের দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ জমা দেননি। দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকায় তাই তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে