বেলাব (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর বেলাবতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ নেতা মো. জসিম উদ্দিন প্রধান মারা গেছেন। আজ সোমবার ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছোট ভাই মো. রইছ উদ্দিন।
এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়ন পূর্ব নিলক্ষীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী সহিংসতায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সাবেক মেম্বার সামসুল হক ও শহিদুল্লার সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় শহিদুল্লাহ মেম্বারের লোকজন উত্তেজিত হয়ে সামসুল হক মেম্বার সমর্থকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়। ঘটনায় উভয় পক্ষকে শান্ত করতে গিয়ে ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ এর লোকজন আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন প্রধানের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় জসিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেলাব হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। এর প্রায় ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোর ৫টায় মৃত্যু হয় তাঁর।
এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য মো. সামসুল হক বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে এবং ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গত শুক্রবার বেলাব থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী সামসুল হক মেম্বার বলেন, ‘নির্বাচন এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। আজ জসিম উদ্দিন মারা গেছেন। সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এ ঘটনায় আমি একটি মামলা দায়ের করেছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো. ইমরান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলার ২ নম্বর আসামি শহিদুল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

নরসিংদীর বেলাবতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ নেতা মো. জসিম উদ্দিন প্রধান মারা গেছেন। আজ সোমবার ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতের ছোট ভাই মো. রইছ উদ্দিন।
এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়ন পূর্ব নিলক্ষীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী সহিংসতায় দুই মেম্বার প্রার্থীর সাবেক মেম্বার সামসুল হক ও শহিদুল্লার সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় শহিদুল্লাহ মেম্বারের লোকজন উত্তেজিত হয়ে সামসুল হক মেম্বার সমর্থকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়। ঘটনায় উভয় পক্ষকে শান্ত করতে গিয়ে ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ এর লোকজন আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন প্রধানের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় জসিম উদ্দিন গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বেলাব হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। এর প্রায় ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোর ৫টায় মৃত্যু হয় তাঁর।
এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য মো. সামসুল হক বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে এবং ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গত শুক্রবার বেলাব থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদী সামসুল হক মেম্বার বলেন, ‘নির্বাচন এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। আজ জসিম উদ্দিন মারা গেছেন। সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এ ঘটনায় আমি একটি মামলা দায়ের করেছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো. ইমরান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলার ২ নম্বর আসামি শহিদুল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে