নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের গাছ কাটায় বিআইডব্লিউটিএকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছে পরিবেশ কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে নারায়ণগঞ্জবাসী ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সংগঠনের সমন্বয়ক আরিফ বুলবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব শুভ দেবের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, ‘গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, হাওইয়ার গিটার পরিষদের নেতা অঙ্কন রানা, জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মৌমিতা নূর, সুজন জেলা কমিটির সদস্য জহিরুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ।
সভাপতি আরিফ বুলবুল বলেন, ‘৩ নম্বর মাছের ঘাট থেকে ৫ নম্বর ঘাট পর্যন্ত মানুষ গাছের ছায়ায় প্রশান্তির খোঁজে আসত। প্রতিদিন হাজারো মানুষ অবসর যাপন করতে ছুটে আসতেন। শ্রমজীবী মানুষ এই গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতেন। কিন্তু এখন সেই গাছ নেই।
জনগণের টাকায় রুমে বসে এসির বাতাস খাওয়া কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গাছের ছায়াটুকু কেড়ে নিচ্ছে। তারা উন্নয়ন করে বহুতল বানায়, কিন্তু সেই ভবনে সাধারণ মানুষের আশ্রয় হয় না।’
তিনি বলেন, ‘নির্বিচারে গাছ কেটে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানোর পক্ষে নই। বরং গাছকে টিকিয়ে রেখে পৃথিবীর বহু দেশ তাদের উন্নয়ন সম্পন্ন করার নজির রেখেছে। তারা বলছে, নতুন করে গাছ লাগাবে, কিন্তু একটি গাছ বড় হতে অন্তত ১২ বছর সময় লাগে। এই সময়ে এখানকার জীববৈচিত্র্যের কি হবে? সেই প্রশ্নের উত্তর নেই কর্তাব্যক্তিদের।’
অঞ্জন দাস বলেন, ‘যারা গাছ কাটার মতো জনবিরোধী প্রকল্পের পক্ষে, তারা এই দেশকে নিজেদের ভবিষ্যৎ মনে করেন না। তাদের অনেকের পরিবারের সদস্য বিদেশে বসবাস করে। তারা এই দেশকে শুধু আয়ের পথ হিসেবে দেখেন। তাই গাছ কেটে মরুভূমিতে রূপান্তর করতে তাদের গায়ে বাঁধে না। আমরা তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে বলতে চাই, আপনাদের এমন প্রকল্প আমাদের প্রয়োজন নেই।’

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের গাছ কাটায় বিআইডব্লিউটিএকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছে পরিবেশ কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে নারায়ণগঞ্জবাসী ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সংগঠনের সমন্বয়ক আরিফ বুলবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব শুভ দেবের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, ‘গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, হাওইয়ার গিটার পরিষদের নেতা অঙ্কন রানা, জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মৌমিতা নূর, সুজন জেলা কমিটির সদস্য জহিরুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ।
সভাপতি আরিফ বুলবুল বলেন, ‘৩ নম্বর মাছের ঘাট থেকে ৫ নম্বর ঘাট পর্যন্ত মানুষ গাছের ছায়ায় প্রশান্তির খোঁজে আসত। প্রতিদিন হাজারো মানুষ অবসর যাপন করতে ছুটে আসতেন। শ্রমজীবী মানুষ এই গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতেন। কিন্তু এখন সেই গাছ নেই।
জনগণের টাকায় রুমে বসে এসির বাতাস খাওয়া কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গাছের ছায়াটুকু কেড়ে নিচ্ছে। তারা উন্নয়ন করে বহুতল বানায়, কিন্তু সেই ভবনে সাধারণ মানুষের আশ্রয় হয় না।’
তিনি বলেন, ‘নির্বিচারে গাছ কেটে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানোর পক্ষে নই। বরং গাছকে টিকিয়ে রেখে পৃথিবীর বহু দেশ তাদের উন্নয়ন সম্পন্ন করার নজির রেখেছে। তারা বলছে, নতুন করে গাছ লাগাবে, কিন্তু একটি গাছ বড় হতে অন্তত ১২ বছর সময় লাগে। এই সময়ে এখানকার জীববৈচিত্র্যের কি হবে? সেই প্রশ্নের উত্তর নেই কর্তাব্যক্তিদের।’
অঞ্জন দাস বলেন, ‘যারা গাছ কাটার মতো জনবিরোধী প্রকল্পের পক্ষে, তারা এই দেশকে নিজেদের ভবিষ্যৎ মনে করেন না। তাদের অনেকের পরিবারের সদস্য বিদেশে বসবাস করে। তারা এই দেশকে শুধু আয়ের পথ হিসেবে দেখেন। তাই গাছ কেটে মরুভূমিতে রূপান্তর করতে তাদের গায়ে বাঁধে না। আমরা তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে বলতে চাই, আপনাদের এমন প্রকল্প আমাদের প্রয়োজন নেই।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১০ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৪ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৫ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৩ মিনিট আগে