সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমার দৃষ্টিতে এটা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা। দ্বিতীয় স্বাধীনতায় অবদান রাখা আমাদের শহীদদের পাঠ্যপুস্তকসহ গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় স্থান করে দিতে হবে। এটা শহীদদের পরিবারের চাহিদা নয়, এটা আগামী প্রজন্মের চাহিদা। যেন পরের প্রজন্ম জানতে পারে, আমাদের আগের প্রজন্মের যুবকেরা, মানুষ হকের পক্ষে নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিল।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
জামায়াতের প্রধান আরও বলেন, ‘একটা জাতি যেখানে দাঁড়িয়ে যায়, সেখানে কোনো স্বৈরাচার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের সবাইকে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে। কিন্তু এই যাওয়াটা যেন প্রশান্তির হয়। শহীদদের রক্ত শুকিয়ে গেছে, কিন্তু এটা যেন আমাদের অন্তর থেকে চলে না যায়। এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁরা মারা গেছেন, নাকি বেঁচে আছেন তা কেউই জানে না। ওই রাতগুলোতে অনেক কিছু ঘটেছে, যা আরেকবার ঘটেছিল ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে, যেখানে হাজার হাজার ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত হয়েছিলেন। ওই রাতে তাঁদের সঙ্গে যে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে, লাশগুলো কোথায় নেওয়া হয়েছে তা কেউ জানে না। কিন্তু আল্লাহ তো সবকিছু জানেন।’
শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে শহীদ পরিবারের কাছেই যাই, সেখানে কান্না ধরে রাখতে পারি না। আমাদের তো এত টাকাপয়সা নেই। কিন্তু আল্লাহর ভান্ডারে কোনো কমতি নেই। আমরা তাঁর ওপর ভরসা করেই কথাগুলো বলার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের ওয়াদা ঠিক রাখার তৌফিক দেন। অনেক শহীদ পরিবারের সঙ্গে আমাদের মোলাকাত করার সুযোগ হয়েছিল। এই জাতি যেন আমাদের এই শহীদ সন্তানদের ভুলে না যায়।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বসেছিলাম। রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছি। বলেছি, আপনারা চেষ্টা করুন, আমরা আপনাদের পাশে আছি। তাঁরা কথা দিয়েছেন কাজ করবেন। আপনারা দোয়া করবেন, তাঁরা যেন কাজ করতে পারেন।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমার দৃষ্টিতে এটা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা। দ্বিতীয় স্বাধীনতায় অবদান রাখা আমাদের শহীদদের পাঠ্যপুস্তকসহ গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় স্থান করে দিতে হবে। এটা শহীদদের পরিবারের চাহিদা নয়, এটা আগামী প্রজন্মের চাহিদা। যেন পরের প্রজন্ম জানতে পারে, আমাদের আগের প্রজন্মের যুবকেরা, মানুষ হকের পক্ষে নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিল।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগর এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
জামায়াতের প্রধান আরও বলেন, ‘একটা জাতি যেখানে দাঁড়িয়ে যায়, সেখানে কোনো স্বৈরাচার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের সবাইকে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে। কিন্তু এই যাওয়াটা যেন প্রশান্তির হয়। শহীদদের রক্ত শুকিয়ে গেছে, কিন্তু এটা যেন আমাদের অন্তর থেকে চলে না যায়। এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁরা মারা গেছেন, নাকি বেঁচে আছেন তা কেউই জানে না। ওই রাতগুলোতে অনেক কিছু ঘটেছে, যা আরেকবার ঘটেছিল ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে, যেখানে হাজার হাজার ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত হয়েছিলেন। ওই রাতে তাঁদের সঙ্গে যে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে, লাশগুলো কোথায় নেওয়া হয়েছে তা কেউ জানে না। কিন্তু আল্লাহ তো সবকিছু জানেন।’
শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে শহীদ পরিবারের কাছেই যাই, সেখানে কান্না ধরে রাখতে পারি না। আমাদের তো এত টাকাপয়সা নেই। কিন্তু আল্লাহর ভান্ডারে কোনো কমতি নেই। আমরা তাঁর ওপর ভরসা করেই কথাগুলো বলার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের ওয়াদা ঠিক রাখার তৌফিক দেন। অনেক শহীদ পরিবারের সঙ্গে আমাদের মোলাকাত করার সুযোগ হয়েছিল। এই জাতি যেন আমাদের এই শহীদ সন্তানদের ভুলে না যায়।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বসেছিলাম। রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছি। বলেছি, আপনারা চেষ্টা করুন, আমরা আপনাদের পাশে আছি। তাঁরা কথা দিয়েছেন কাজ করবেন। আপনারা দোয়া করবেন, তাঁরা যেন কাজ করতে পারেন।’

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৭ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১২ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৬ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে