
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি ও ছাত্র শিবিরের ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি গ্রেপ্তারকৃত নেতা–কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সহসভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কাসেম, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন লতিফ, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. নবী হোসেন, পিরোজপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আনসর মিয়া, বারদী ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. শামীম মিয়া ও পিরোজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আবুল হোসেন। এ ছাড়া রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকা থেকে ছাত্র শিবিরকর্মী হাফিজুর রহমান, মিরাজ মাহমুদ, সুখেরটেক এলাকা থেকে মাহমুদুল হাসান ও পশ্চিম বেহাকৈর এলাকা থেকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তার করে।
সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান জানান, নেতা–কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তল্লাশি করছে। পাশাপাশি নেতা–কর্মীদের বাড়ির মহিলাসহ তাদের লোকজনকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শনিবারের ঢাকার মহাসমাবেশকে ঘিরে ভীতি ছড়াতেই এ গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। দ্রুত পুলিশের এমন আচরণ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গ্রেপ্তারকৃত নেতা–কর্মীদের সোনারগাঁ বিএনপির পক্ষ থেকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। তাদের পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পঙ্কজ কান্তি সরকার বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মামলায় বিএনপি ও ছাত্র শিবিরের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিনা কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি ও ছাত্র শিবিরের ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি গ্রেপ্তারকৃত নেতা–কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সহসভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কাসেম, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন লতিফ, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. নবী হোসেন, পিরোজপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আনসর মিয়া, বারদী ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. শামীম মিয়া ও পিরোজপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আবুল হোসেন। এ ছাড়া রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকা থেকে ছাত্র শিবিরকর্মী হাফিজুর রহমান, মিরাজ মাহমুদ, সুখেরটেক এলাকা থেকে মাহমুদুল হাসান ও পশ্চিম বেহাকৈর এলাকা থেকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তার করে।
সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান জানান, নেতা–কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তল্লাশি করছে। পাশাপাশি নেতা–কর্মীদের বাড়ির মহিলাসহ তাদের লোকজনকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শনিবারের ঢাকার মহাসমাবেশকে ঘিরে ভীতি ছড়াতেই এ গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। দ্রুত পুলিশের এমন আচরণ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গ্রেপ্তারকৃত নেতা–কর্মীদের সোনারগাঁ বিএনপির পক্ষ থেকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। তাদের পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পঙ্কজ কান্তি সরকার বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন মামলায় বিএনপি ও ছাত্র শিবিরের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিনা কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে