নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

‘আমরা যখন কোপ খাইয়া মাটিতে পইড়া আছিলাম, তখন কাউন্সিলর শাহিন কইতাছিলো, সবাই আয়, দেখতো ওরা মরছে নি? এই কথা শুনে হামলাকারীরা আমাগো লাথি মাইরা দেখতাছিলো বাইচ্চা আছি কি না? এরপর গাড়ি নিয়া পালায়া যায়।’ কথাগুলো বলছিলেন নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অনুগামীদের হামলায় গুরুতর আহত আল আমিন (২৬)।
গত সোমবার রাতে বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে কাউন্সিলরের অনুগামীদের হামলায় নিহত হন ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী মেরাজুল ইসলাম জয় (২৭)। একই ঘটনায় ওয়ার্কশপে থাকা জয়ের বন্ধু আল আমিন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে বন্দরজুড়ে।
নিহত মেরাজুল ইসলাম ছালেহনগর এলাকার আজহারুল ইসলামের ছেলে এবং আয়মান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক। আহত আল আমিন রুপালি আবাসিক এলাকার জাভেদ মিয়ার ছেলে। আহত অবস্থায় আল আমিন এক ভিডিও বার্তায় হামলাকারীদের নাম প্রকাশ এবং নেপথ্যে কাউন্সিলরের নির্দেশনার কথা প্রকাশ করেছেন, যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রকাশিত ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে আল আমিনকে বলতে শোনা যায়, ‘ওয়ার্কশপে মেরাজ কাজ করছিল, আমি ওইখানে আড্ডা দিতাছিলাম। হঠাৎ তিনটা গাড়ি দোকানের সামনে আসে। গাড়ি থেকে কাইল্লা রানা, মানিক এসে মেরাজকে ধরে। এরপর কাউন্সিলর শাহিনের ভাইগ্না সৌরভ, পিংকি, চুইল্লা রাজু, অপু আইসা কোপাইতে থাকে আমাগো। কী জন্য মারতাছে জিগাইলে আরও বেশি কইরা কোপাইতাছিলো। ওই সময় কাউন্সিলর গাড়িতে বইসা নির্দেশ দিতাছিলো। কোপানো শেষ হইলে আমাগো লাথি মাইরা দেখছে বাইচ্চা আছি কি না। পরে গাড়ি নিয়া ওরা পলায়া যায়।’
এদিকে নিহত মেরাজুল ইসলাম জয়ের ছোট ভাই সম্রাট দাবি করেন, ‘আমার ভাই মারা যাওয়ার আগে হামলাকারীদের নাম বইলা গেছে। কাউন্সিলর শাহীন মিয়ার নেতৃত্বে তার ভাইগ্না ও তার লোকজন এই হামলা চালাইসে। কাউন্সিলর শাহীন পুরা সময় গাড়িতে বইসা সবাইরে মারতে নির্দেশ দিছে।’
এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় মেরাজুলের মালিকানাধীন আয়মান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে মেরাজুল ইসলাম ও আল আমিন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ৯টায় মারা যান মেরাজুল। আহত আল আমিন এখনও চিকিৎসাধীন ।
এদিকে প্রকাশিত ভিডিওতে হামলাকারীদের নাম-পরিচয় প্রকাশ পেলে মধ্যরাতে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে কাউন্সিলর শাহীন ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয়। পরে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে উত্তেজিত জনতা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
হামলার পর থেকে অভিযুক্ত কাউন্সিলর শাহীনের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হামলাকারীরা চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতমধ্যে দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছি। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় আপাতত প্রকাশ করছি না। অন্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।’

‘আমরা যখন কোপ খাইয়া মাটিতে পইড়া আছিলাম, তখন কাউন্সিলর শাহিন কইতাছিলো, সবাই আয়, দেখতো ওরা মরছে নি? এই কথা শুনে হামলাকারীরা আমাগো লাথি মাইরা দেখতাছিলো বাইচ্চা আছি কি না? এরপর গাড়ি নিয়া পালায়া যায়।’ কথাগুলো বলছিলেন নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অনুগামীদের হামলায় গুরুতর আহত আল আমিন (২৬)।
গত সোমবার রাতে বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে কাউন্সিলরের অনুগামীদের হামলায় নিহত হন ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী মেরাজুল ইসলাম জয় (২৭)। একই ঘটনায় ওয়ার্কশপে থাকা জয়ের বন্ধু আল আমিন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে বন্দরজুড়ে।
নিহত মেরাজুল ইসলাম ছালেহনগর এলাকার আজহারুল ইসলামের ছেলে এবং আয়মান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক। আহত আল আমিন রুপালি আবাসিক এলাকার জাভেদ মিয়ার ছেলে। আহত অবস্থায় আল আমিন এক ভিডিও বার্তায় হামলাকারীদের নাম প্রকাশ এবং নেপথ্যে কাউন্সিলরের নির্দেশনার কথা প্রকাশ করেছেন, যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রকাশিত ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে আল আমিনকে বলতে শোনা যায়, ‘ওয়ার্কশপে মেরাজ কাজ করছিল, আমি ওইখানে আড্ডা দিতাছিলাম। হঠাৎ তিনটা গাড়ি দোকানের সামনে আসে। গাড়ি থেকে কাইল্লা রানা, মানিক এসে মেরাজকে ধরে। এরপর কাউন্সিলর শাহিনের ভাইগ্না সৌরভ, পিংকি, চুইল্লা রাজু, অপু আইসা কোপাইতে থাকে আমাগো। কী জন্য মারতাছে জিগাইলে আরও বেশি কইরা কোপাইতাছিলো। ওই সময় কাউন্সিলর গাড়িতে বইসা নির্দেশ দিতাছিলো। কোপানো শেষ হইলে আমাগো লাথি মাইরা দেখছে বাইচ্চা আছি কি না। পরে গাড়ি নিয়া ওরা পলায়া যায়।’
এদিকে নিহত মেরাজুল ইসলাম জয়ের ছোট ভাই সম্রাট দাবি করেন, ‘আমার ভাই মারা যাওয়ার আগে হামলাকারীদের নাম বইলা গেছে। কাউন্সিলর শাহীন মিয়ার নেতৃত্বে তার ভাইগ্না ও তার লোকজন এই হামলা চালাইসে। কাউন্সিলর শাহীন পুরা সময় গাড়িতে বইসা সবাইরে মারতে নির্দেশ দিছে।’
এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় মেরাজুলের মালিকানাধীন আয়মান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে মেরাজুল ইসলাম ও আল আমিন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ৯টায় মারা যান মেরাজুল। আহত আল আমিন এখনও চিকিৎসাধীন ।
এদিকে প্রকাশিত ভিডিওতে হামলাকারীদের নাম-পরিচয় প্রকাশ পেলে মধ্যরাতে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে কাউন্সিলর শাহীন ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয়। পরে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছুড়ে মারে উত্তেজিত জনতা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
হামলার পর থেকে অভিযুক্ত কাউন্সিলর শাহীনের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হামলাকারীরা চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতমধ্যে দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছি। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় আপাতত প্রকাশ করছি না। অন্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।’

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবউল্লাহ (১২) নামের এক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হাবিবউল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার
৪১ মিনিট আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল আবারও স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
যশোর সরকারি এমএম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে