নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে এক রাতে বিএনপির অন্তত ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ১০টা থেকে আজ সোমবার ভোর ৪টা পর্যন্ত শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) চাইলাউ মারমা। তিনি বলেন, ‘আমাদের তথ্য অনুযায়ী আমরা ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশ এই অভিযান চালিয়েছে। অধিকাংশ নেতা-কর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় জামিনে থাকার পরেও তাদের গ্রেপ্তার করে নতুন মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে।‘
তিনি আরও বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত নতুন করে অন্তত ৩১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা ধারাবাহিক গ্রেপ্তার করে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে চাচ্ছে। ১০ ডিসেম্বরের মতো ধরপাকড় করেও এই সরকার সমাবেশ বানচাল করতে পারবে না।’
জেলা বিএনপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি নূর মোহাম্মদ পনেছ, সদর থানা বিএনপির সদস্য ফয়সাল আহমেদ, নাসিকের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, একই ওয়ার্ডের কর্মী সোহেল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মাসুদ, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক।
জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাড. খোরশেদ মোল্লা, সহসভাপতি অ্যাড. সিদ্দিক, সদস্য সামসুল হক, জেলা শ্রমিক দল নেতা কামাল হোসেন, সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সদস্য হুমায়ুন ও রূপগঞ্জ থানা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার চৌধুরী ।

নারায়ণগঞ্জে এক রাতে বিএনপির অন্তত ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ১০টা থেকে আজ সোমবার ভোর ৪টা পর্যন্ত শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) চাইলাউ মারমা। তিনি বলেন, ‘আমাদের তথ্য অনুযায়ী আমরা ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানা-পুলিশ ও ডিবি পুলিশ এই অভিযান চালিয়েছে। অধিকাংশ নেতা-কর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় জামিনে থাকার পরেও তাদের গ্রেপ্তার করে নতুন মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে।‘
তিনি আরও বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত নতুন করে অন্তত ৩১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা ধারাবাহিক গ্রেপ্তার করে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে চাচ্ছে। ১০ ডিসেম্বরের মতো ধরপাকড় করেও এই সরকার সমাবেশ বানচাল করতে পারবে না।’
জেলা বিএনপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি নূর মোহাম্মদ পনেছ, সদর থানা বিএনপির সদস্য ফয়সাল আহমেদ, নাসিকের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, একই ওয়ার্ডের কর্মী সোহেল, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মাসুদ, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক।
জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাড. খোরশেদ মোল্লা, সহসভাপতি অ্যাড. সিদ্দিক, সদস্য সামসুল হক, জেলা শ্রমিক দল নেতা কামাল হোসেন, সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সদস্য হুমায়ুন ও রূপগঞ্জ থানা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার চৌধুরী ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে