নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামক এই রায় দেন। একই সঙ্গে আসামিকে আরও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া হত্যার পর লাশ গুম করার দায়ে ভিন্ন আইনে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাইমুর রহমানকে (৩৫) বরগুনা জেলার লতাবাড়িয়া গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে। আসামি ভুক্তভোগী শিশুর প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করতেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট রকিব উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামি নাইমুর রহমান ছয় বছরের শিশুকে আইসক্রিম ও চকলেট কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে আসে। সেখানে প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি কান্নাকাটি করলে তাকে হত্যা করে ও ঘরে থাকা কাঁথায় লাশ পেঁচিয়ে খাটের নিচে গুম করে বরগুনা পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন শিশুটির পরিবার সেই ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে। সেদিনই থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা। পরে পুলিশ বরগুনা থেকে নাইমুরকে গ্রেপ্তার করলে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার চার্জশিট প্রদান করে পুলিশ।
তিনি বলেন, মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায় ঘোষণা শেষে নিহত শিশুটির বাবা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ে রায় কার্যকরের দাবি জানান।
আদালত পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার দুই বছরের মাথায় বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে আদালত। আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামক এই রায় দেন। একই সঙ্গে আসামিকে আরও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া হত্যার পর লাশ গুম করার দায়ে ভিন্ন আইনে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাইমুর রহমানকে (৩৫) বরগুনা জেলার লতাবাড়িয়া গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে। আসামি ভুক্তভোগী শিশুর প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করতেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট রকিব উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামি নাইমুর রহমান ছয় বছরের শিশুকে আইসক্রিম ও চকলেট কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে আসে। সেখানে প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি কান্নাকাটি করলে তাকে হত্যা করে ও ঘরে থাকা কাঁথায় লাশ পেঁচিয়ে খাটের নিচে গুম করে বরগুনা পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন শিশুটির পরিবার সেই ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে। সেদিনই থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা। পরে পুলিশ বরগুনা থেকে নাইমুরকে গ্রেপ্তার করলে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ২০২২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার চার্জশিট প্রদান করে পুলিশ।
তিনি বলেন, মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায় ঘোষণা শেষে নিহত শিশুটির বাবা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুততম সময়ে রায় কার্যকরের দাবি জানান।
আদালত পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার দুই বছরের মাথায় বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে আদালত। আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।’

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৮ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
২২ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১ ঘণ্টা আগে