নওগাঁ প্রতিনিধি

রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ইংল্যান্ডের মানুষ দুই বেলা খেলেও বাংলাদেশর মানুষ তিন বেলা পেট পুরে ভাত খাচ্ছে বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ইংল্যান্ডে সাধারণ নাগরিকদের দিনে দুইবেলা খাওয়ার রেশনিং করে দেওয়া হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মানুষ তিন বেলা পেট ভরে ভাত খেতে পারছে। এটা বর্তমান সরকারের বড় সার্থকতা।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল দেশে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার তা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করছে। এখন দেশে সারের আর কোনো সংকট নেই। বিগত সময়ে কৃষকদের ৫ হাজার টাকায় সার কিনতে হয়েছে। সারের জন্য ১৯ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছিল। বর্তমান সময়ে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের বিনা মূল্যে সার দেওয়া হচ্ছে।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কারও হাতে এ দেশ নিরাপদ নয়। বিএনপি-জামায়াতের আগুনসন্ত্রাস এবং এ দেশের মানুষকে এখনো শিহরিত করে। মানুষ সেই ভয়াবহতা আজও ভুলতে পারেনি।’
অনুষ্ঠান শেষে চলতি রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫ হাজার ১০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, মসুর, খেসারি, চীনা বাদাম, মুগ ডাল, পেঁয়াজবীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হাইয়ের উপস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) মো. জাকির হোসেন। পরে শিশা উচ্চবিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত মশিদপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ইংল্যান্ডের মানুষ দুই বেলা খেলেও বাংলাদেশর মানুষ তিন বেলা পেট পুরে ভাত খাচ্ছে বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ইংল্যান্ডে সাধারণ নাগরিকদের দিনে দুইবেলা খাওয়ার রেশনিং করে দেওয়া হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মানুষ তিন বেলা পেট ভরে ভাত খেতে পারছে। এটা বর্তমান সরকারের বড় সার্থকতা।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল দেশে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার তা শক্ত হাতে প্রতিরোধ করছে। এখন দেশে সারের আর কোনো সংকট নেই। বিগত সময়ে কৃষকদের ৫ হাজার টাকায় সার কিনতে হয়েছে। সারের জন্য ১৯ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছিল। বর্তমান সময়ে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের বিনা মূল্যে সার দেওয়া হচ্ছে।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কারও হাতে এ দেশ নিরাপদ নয়। বিএনপি-জামায়াতের আগুনসন্ত্রাস এবং এ দেশের মানুষকে এখনো শিহরিত করে। মানুষ সেই ভয়াবহতা আজও ভুলতে পারেনি।’
অনুষ্ঠান শেষে চলতি রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫ হাজার ১০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, মসুর, খেসারি, চীনা বাদাম, মুগ ডাল, পেঁয়াজবীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হাইয়ের উপস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) মো. জাকির হোসেন। পরে শিশা উচ্চবিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত মশিদপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে