ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি

মধ্যযুগীয় কায়দায় নওগাঁর ধামইরহাটের আনারুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থীর ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
আনারুল ইসলাম (২২) পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড চকউমর পাটারি পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। ২০১৮ জয়পুরহাট পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে চতুর্থ সেমিস্টার পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ওই ইনস্টিটিউটে পঞ্চম সেমিস্টার না থাকায় স্থান পরিবর্তন করে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি ২০১৭ সালে সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ফাইভ পেয়ে এস এস সি পাস করেন। স্থানীয় এক বন্ধুর সহযোগিতা নিয়ে বগুড়া পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এ ভর্তি হওয়ার জন্য এতিমখানা পূর্ব পাশে ইঞ্জিনিয়ার মেস ভাড়া করেন। মেসে থেকে পড়াশোনা করার কারণে চাঁদা দিতে হবে এমন দাবি করেন ওই এলাকার কয়েকজন যুবক।
এ বিষয়ে আহত ওই যুবক বলেন, গত মঙ্গলবার দুজন সন্ত্রাসী মেসের রুমে ঢুকে আমার মোবাইলসহ টাকা দাবি করে। এগুলো না পেয়ে প্রথমে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে আমাকে একটি ওয়াশ রুমে নিয়ে যায়। তারপর আমার দুই হত পিঠমোড়া করে প্লাস দিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অনেকটা গোপনে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রতিবেশী আসাদুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি অনেক মেধাবী, পড়াশোনায় ভালো। ওর মা কাজ করে আর বাবা ভ্যান চালিয়ে সংসার ও ছেলেটির পড়াশোনার খরচ চালায়। ছেলেটির এভাবে আঙুল কেটে দেওয়া আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।
বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, 'সারা দিন ভ্যান চালাই। অভাবের সংসারে যে দু-চার টাকা পাই তা দিয়েই সংসারসহ ওর পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়। ছাত্র হিসেবে অনেক মেধাবী হওয়াই ওকে নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখতাম।
তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, ছেলেটি আমার স্বপ্ন দেখত। পড়াশোনা করে একদিন অনেক বড় হবে, বড় চাকরি করবে।
ছেলের ওপর মধ্যযুগীয় এমন অমানবিক নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে মা সাহারা খাতুন বলেন, সংসারে ও আমাদের একমাত্র আশার প্রদীপ ছিল। ছাত্র হিসেবেও ছিল মেধাবী। এখন তো ওর হাতের আঙুল নেই, কলম ধরবে কীভাবে?
চোখেমুখে একরকম আতঙ্ক নিয়েই আনারুল ইসলাম বলেন, 'আমিতো পড়াশোনা করতে চাই। বাবা মার স্বপ্ন পূরণের জন্য ভালো একটা চাকরি করতে চাই। কিন্তু ওরা তো আমার আঙুল কেটে দিয়েছে, আমি পরীক্ষা দিব কীভাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাকে বাঁচান'।
এ বিষয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল গনি বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। যেহেতু ঘটনাটি বগুড়ায় ঘটেছে সেহেতু অভিযোগটি সেখানে দিতে হবে।

মধ্যযুগীয় কায়দায় নওগাঁর ধামইরহাটের আনারুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থীর ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
আনারুল ইসলাম (২২) পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড চকউমর পাটারি পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। ২০১৮ জয়পুরহাট পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে চতুর্থ সেমিস্টার পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ওই ইনস্টিটিউটে পঞ্চম সেমিস্টার না থাকায় স্থান পরিবর্তন করে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি ২০১৭ সালে সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ফাইভ পেয়ে এস এস সি পাস করেন। স্থানীয় এক বন্ধুর সহযোগিতা নিয়ে বগুড়া পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এ ভর্তি হওয়ার জন্য এতিমখানা পূর্ব পাশে ইঞ্জিনিয়ার মেস ভাড়া করেন। মেসে থেকে পড়াশোনা করার কারণে চাঁদা দিতে হবে এমন দাবি করেন ওই এলাকার কয়েকজন যুবক।
এ বিষয়ে আহত ওই যুবক বলেন, গত মঙ্গলবার দুজন সন্ত্রাসী মেসের রুমে ঢুকে আমার মোবাইলসহ টাকা দাবি করে। এগুলো না পেয়ে প্রথমে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে আমাকে একটি ওয়াশ রুমে নিয়ে যায়। তারপর আমার দুই হত পিঠমোড়া করে প্লাস দিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অনেকটা গোপনে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রতিবেশী আসাদুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি অনেক মেধাবী, পড়াশোনায় ভালো। ওর মা কাজ করে আর বাবা ভ্যান চালিয়ে সংসার ও ছেলেটির পড়াশোনার খরচ চালায়। ছেলেটির এভাবে আঙুল কেটে দেওয়া আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।
বাবা নজরুল ইসলাম বলেন, 'সারা দিন ভ্যান চালাই। অভাবের সংসারে যে দু-চার টাকা পাই তা দিয়েই সংসারসহ ওর পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়। ছাত্র হিসেবে অনেক মেধাবী হওয়াই ওকে নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখতাম।
তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, ছেলেটি আমার স্বপ্ন দেখত। পড়াশোনা করে একদিন অনেক বড় হবে, বড় চাকরি করবে।
ছেলের ওপর মধ্যযুগীয় এমন অমানবিক নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে মা সাহারা খাতুন বলেন, সংসারে ও আমাদের একমাত্র আশার প্রদীপ ছিল। ছাত্র হিসেবেও ছিল মেধাবী। এখন তো ওর হাতের আঙুল নেই, কলম ধরবে কীভাবে?
চোখেমুখে একরকম আতঙ্ক নিয়েই আনারুল ইসলাম বলেন, 'আমিতো পড়াশোনা করতে চাই। বাবা মার স্বপ্ন পূরণের জন্য ভালো একটা চাকরি করতে চাই। কিন্তু ওরা তো আমার আঙুল কেটে দিয়েছে, আমি পরীক্ষা দিব কীভাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাকে বাঁচান'।
এ বিষয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল গনি বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। যেহেতু ঘটনাটি বগুড়ায় ঘটেছে সেহেতু অভিযোগটি সেখানে দিতে হবে।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৯ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে