মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দায় প্রেমের অভিযোগ এনে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অপমান সইতে না পেরে এক স্কুলছাত্রী (১৫) আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আজ রোববার মৃত স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম সাদ্দাম হোসেন (২৮)। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ শাহের ছেলে।
মৃত স্কুলছাত্রীর চাচা জানান, গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাঁর ভাতিজিকে প্রতিবেশী মোজাফফর হোসেনের মেয়ে রীমা বেগম কৌশলে তাঁদের বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় ওই বাড়িতে কয়াপাড়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে সুইটি বেগম, তার মা আনজুয়ারা বিবি, রীমার স্বামী সাদ্দাম হোসেনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তারা কুসুম্বা দীঘিরপাড়া গ্রামের চয়নুল ইসলামের ছেলে শামীম হোসেনের সঙ্গে তাঁর ভাতিজির প্রেম চলছে এমন অজুহাত তুলে একটি ঘরে আটকে রাখে। পরে রীমার স্বামী সাদ্দাম হোসেন তাঁর ভাতিজিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতনসহ শ্লীলতাহানি করে।
মৃত স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, প্রতিবেশী মোজাফফর হোসেনের বাড়ি থেকে ছাড়া পেয়ে মেয়ে বাড়িতে ফিরে ঘটনার কথা প্রকাশ করে দেয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের নারীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ও ঝগড়া হয়। এ সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য ছিল না। বাড়িতে ফিরে তারা ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়ে মেয়েকে সান্ত্বনা দেন।
তিনি আরও বলেন, মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অপমান সইতে না পেয়ে সকলের অগোচরে মেয়ে বিষপান করে। বিষয়টি টের পেয়ে প্রথমে মান্দা হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে সে মারা যায়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনার তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নওগাঁর মান্দায় প্রেমের অভিযোগ এনে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অপমান সইতে না পেরে এক স্কুলছাত্রী (১৫) আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আজ রোববার মৃত স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম সাদ্দাম হোসেন (২৮)। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ শাহের ছেলে।
মৃত স্কুলছাত্রীর চাচা জানান, গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাঁর ভাতিজিকে প্রতিবেশী মোজাফফর হোসেনের মেয়ে রীমা বেগম কৌশলে তাঁদের বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় ওই বাড়িতে কয়াপাড়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে সুইটি বেগম, তার মা আনজুয়ারা বিবি, রীমার স্বামী সাদ্দাম হোসেনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তারা কুসুম্বা দীঘিরপাড়া গ্রামের চয়নুল ইসলামের ছেলে শামীম হোসেনের সঙ্গে তাঁর ভাতিজির প্রেম চলছে এমন অজুহাত তুলে একটি ঘরে আটকে রাখে। পরে রীমার স্বামী সাদ্দাম হোসেন তাঁর ভাতিজিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতনসহ শ্লীলতাহানি করে।
মৃত স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, প্রতিবেশী মোজাফফর হোসেনের বাড়ি থেকে ছাড়া পেয়ে মেয়ে বাড়িতে ফিরে ঘটনার কথা প্রকাশ করে দেয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের নারীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ও ঝগড়া হয়। এ সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য ছিল না। বাড়িতে ফিরে তারা ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়ে মেয়েকে সান্ত্বনা দেন।
তিনি আরও বলেন, মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অপমান সইতে না পেয়ে সকলের অগোচরে মেয়ে বিষপান করে। বিষয়টি টের পেয়ে প্রথমে মান্দা হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে সে মারা যায়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনার তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১৯ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২১ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২৩ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে