প্রতিনিধি, ধামইরহাট (নওগাঁ)

নওগাঁর ধামইরহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সময় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, উপজেলার চকউমর গ্রামের আছির উদ্দীনের ছেলে আবদুর রসিদ (৬২), জগদল এলাকার হেলাল হোসেনের মেয়ে বৃষ্টি আক্তার (১৩) এবং আলতাদিঘী এলাকার খাইরুল ইসলামের ছেলে রাসেল মাহমুদ (৩০)।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ধামইরহাট ইউনিয়নের জগদল এলাকায় বৃষ্টি গরু খুঁজতে মাঠে যায়। এ সময় ভারী বর্ষণ শুরু হলে বজ্রপাতে সে মারা যায়। অপরদিকে একই ইউনিয়নের আলতাদিঘী এলাকার রাসেল মাহমুদ ও চকউমর এলাকার আবদুর রশিদ বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে ধান খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান।

নওগাঁর ধামইরহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সময় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, উপজেলার চকউমর গ্রামের আছির উদ্দীনের ছেলে আবদুর রসিদ (৬২), জগদল এলাকার হেলাল হোসেনের মেয়ে বৃষ্টি আক্তার (১৩) এবং আলতাদিঘী এলাকার খাইরুল ইসলামের ছেলে রাসেল মাহমুদ (৩০)।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ধামইরহাট ইউনিয়নের জগদল এলাকায় বৃষ্টি গরু খুঁজতে মাঠে যায়। এ সময় ভারী বর্ষণ শুরু হলে বজ্রপাতে সে মারা যায়। অপরদিকে একই ইউনিয়নের আলতাদিঘী এলাকার রাসেল মাহমুদ ও চকউমর এলাকার আবদুর রশিদ বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে ধান খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে