শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাছের প্রজেক্ট থেকে দুই শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দিন দিন রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বক্তব্যে অসংগতি সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল বুধবার (১৮ জুন)। ওই দিন ছনকান্দা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৪৮) পুলিশের উপস্থিতিতে সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি মাছের প্রজেক্টে মৃত শিশু সকাল (৭) ও স্বপ্নাকে (৬) গোসল করতে দেখেননি। কিন্তু পরদিন বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ১৭ জুন দুপুরে তিনি ওই দুই শিশুকে প্রজেক্টে গোসল করতে দেখেছেন। এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সাইফুল বলেন, ‘১৮ জুন ভয়ে ওই সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’
এদিকে প্রজেক্ট মালিক মো. মোস্তফা বলেন, ‘আমি ১৭ জুন তাদের গোসল করতে দেখি। পরে তাদের চলে যেতে বলেছি। তাদের কাপড় মোছা. আছমা বেগমের কাছে দিয়ে দিই।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিখোঁজের ঘটনায় মাইকিং হলেও আমরা জানতাম না এত দূর (প্রায় দুই কিলোমিটার) থেকে এখানে গোসল করতে আসবে, তাই পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি।’
এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং দূরবর্তী স্থানে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মতে, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং একটি হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার জাহিদ বলেন, ‘নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে স্বপন মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে ১৯ জুন, রোববার বিকেলে শিশু সকাল ও স্বপ্নাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাছের প্রজেক্ট থেকে দুই শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দিন দিন রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বক্তব্যে অসংগতি সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল বুধবার (১৮ জুন)। ওই দিন ছনকান্দা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৪৮) পুলিশের উপস্থিতিতে সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি মাছের প্রজেক্টে মৃত শিশু সকাল (৭) ও স্বপ্নাকে (৬) গোসল করতে দেখেননি। কিন্তু পরদিন বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ১৭ জুন দুপুরে তিনি ওই দুই শিশুকে প্রজেক্টে গোসল করতে দেখেছেন। এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সাইফুল বলেন, ‘১৮ জুন ভয়ে ওই সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’
এদিকে প্রজেক্ট মালিক মো. মোস্তফা বলেন, ‘আমি ১৭ জুন তাদের গোসল করতে দেখি। পরে তাদের চলে যেতে বলেছি। তাদের কাপড় মোছা. আছমা বেগমের কাছে দিয়ে দিই।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিখোঁজের ঘটনায় মাইকিং হলেও আমরা জানতাম না এত দূর (প্রায় দুই কিলোমিটার) থেকে এখানে গোসল করতে আসবে, তাই পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি।’
এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং দূরবর্তী স্থানে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকের মতে, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং একটি হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার জাহিদ বলেন, ‘নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে স্বপন মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে ১৯ জুন, রোববার বিকেলে শিশু সকাল ও স্বপ্নাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
২৮ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে