ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

তিন দফা দাবিতে সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি চলছে। তবে আজ সোমবার সকালে নগরীর কিছু বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ক্লাস করাতে দেখা গেছে।
শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তারা ক্লাস নিচ্ছেন। তবে দাবি আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন।
নগরীর সানকিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস চলছে। প্রথম শ্রেণির দায়িত্বে থাকা শিক্ষক খাদিজা বেগম বলেন, ‘যেসব দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ যৌক্তিক। আমরাও আন্দোলনের সঙ্গে একমত। তবে ক্লাস করছি শুধু বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। না হলে ওরা বাইরে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়তে পারে।’
গোহাইলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানকার সহকারী শিক্ষক শারমিন সুলতানা বলেন, ‘কর্মবিরতি চলছে ঠিকই, তবে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাইনি। তাই ক্লাস করাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়া ঠেকানোই মূল উদ্দেশ্য। তবে আমরা চাই, যৌক্তিক দাবি যেন বাস্তবায়ন হয়।’
এ বিষয়ে সানকিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘কর্মবিরতির বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। আপনার কাছ থেকেই বিষয়টি শুনছি। আমরা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমই চালিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সহকারী শিক্ষকেরা ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। আজ থেকে শুরু হয়েছে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি।
আন্দোলনরত সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো—প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশ যৌক্তিকভাবে সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে শুরুর পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি নিশ্চিত করা।

তিন দফা দাবিতে সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি চলছে। তবে আজ সোমবার সকালে নগরীর কিছু বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ক্লাস করাতে দেখা গেছে।
শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তারা ক্লাস নিচ্ছেন। তবে দাবি আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন।
নগরীর সানকিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস চলছে। প্রথম শ্রেণির দায়িত্বে থাকা শিক্ষক খাদিজা বেগম বলেন, ‘যেসব দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ যৌক্তিক। আমরাও আন্দোলনের সঙ্গে একমত। তবে ক্লাস করছি শুধু বাচ্চাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। না হলে ওরা বাইরে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়তে পারে।’
গোহাইলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানকার সহকারী শিক্ষক শারমিন সুলতানা বলেন, ‘কর্মবিরতি চলছে ঠিকই, তবে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাইনি। তাই ক্লাস করাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়া ঠেকানোই মূল উদ্দেশ্য। তবে আমরা চাই, যৌক্তিক দাবি যেন বাস্তবায়ন হয়।’
এ বিষয়ে সানকিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘কর্মবিরতির বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। আপনার কাছ থেকেই বিষয়টি শুনছি। আমরা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমই চালিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সহকারী শিক্ষকেরা ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। আজ থেকে শুরু হয়েছে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি।
আন্দোলনরত সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো—প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশ যৌক্তিকভাবে সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে শুরুর পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি নিশ্চিত করা।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৬ ঘণ্টা আগে