হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার টিলায় খাবারের সংকট থাকায় সন্ধ্যা হলেই লোকালয়ে নেমে আসছে হাতির পাল। তাণ্ডব চালাচ্ছে মানুষের বসতভিটায়। নষ্ট করে দিচ্ছে ফলের গাছসহ বাড়ির মাচায় রাখা ধান-চাল। এতে হাতির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে উপজেলার কড়ইতলী, মহিষলেটি, রংগমপাড়া, গোবরাকুড়া ও কোচপাড়া এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় লোকজন ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হালুয়াঘাট সীমান্তে আগে শুধু বোরো ও আমন আবাদের সময় হাতি লোকালয়ে এলেও এখন অবাধে চলাফেরা করে হাতির পাল। সর্বশেষ দুই সপ্তাহ ধরে কড়ইতলী এলাকার কোচপাড়া টিলায় ৪০-৪৫টি বন্য হাতি অবস্থান করছে। এই দলে পাঁচ থেকে সাতটি শাবকও আছে। দিনে বনে দেখা গেলেও সন্ধ্যার পরপরই এসব হাতি খাবারের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।
লোকালয়ে হাতি আসায় জানমাল রক্ষায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। রাত জেগে মশাল জ্বালিয়ে বন্য হাতির পাল প্রতিরোধের চেষ্টায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তারা। গত মঙ্গলবার রাতে কড়ইতলী গ্রামে হাতির আক্রমণে গোলাপ হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আশপাশের চার গ্রামের মানুষের মধ্যে আরও বেশি আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত চার বছরে হালুয়াঘাট সীমান্তে হাতির আক্রমণে মারা গেছে ১১ জন।
স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টির মধ্যে গোলাপ হোসেনের বাড়িতে হাতি তাণ্ডব চালায়। তছনছ করে দেয় দুটি ঘর। ওই রাতেই পশ্চিম কড়ইতলী গ্রামের আবদুল মালেক মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় হাতির পাল। এ সময় তাঁদের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কয়েক দিন আগে হাতির পাল মহিষলেটি গ্রামের রহম আলী, সাদেক মিয়া, মনু মিয়া, আবদুল আজিজের বাড়িঘর তছনছ করে দেয়। হামলার সময় ঘরে থাকা ধান, চাল, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল খাওয়ার পাশাপাশি নষ্ট করে দেয়। এতে আতঙ্ক বেড়েছে সীমান্তবর্তী ভুবনকুড়া ইউনিয়নের কড়ইতলী, পশ্চিম কড়ইতলী, মহিষলেটি বানাইচিরিঙ্গিপাড়া ও কোচপাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে।
কড়ইতলী গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা এখন নিরুপায় আত্তি (হাতি) মামা এহন কিচ্ছু মানে না। সরকার হয় ভারতের এই আত্তি সরাক, না হয় আমাগোরে এই এলাকা থেকে সরাই নেক।’ স্থানীয় আরেক কৃষক চান মিয়া জানান, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে রাত জেগে হাতি পাহারায় থাকতে হচ্ছে তাঁদের। এই অবস্থায় হাতির আক্রমণ রোধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাঠে ফসল না থাকায় খাদ্যের সন্ধানে হাতির পাল এখন বসতবাড়িতে হানা দিচ্ছে বলে জানান ভুবনকুড়া ইউপির চেয়ারম্যান সুরুজ মিয়া। তিনি বলেন, ‘হাতির অত্যাচারে গ্রামবাসী নির্ঘুম রাত পার করছে। এদের জঙ্গলে ফেরাতে বন বিভাগের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের নব নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ বলেন, ‘হাতির পাল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বাধার কারণে সীমান্তের ওপারে যেতে পারে না। বিষয়টি সমাধানের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুরের বিট কর্মকর্তা লোকমান হাকিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বন বিভাগের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে আবেদন করতে বলা হয়েছে।’

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার টিলায় খাবারের সংকট থাকায় সন্ধ্যা হলেই লোকালয়ে নেমে আসছে হাতির পাল। তাণ্ডব চালাচ্ছে মানুষের বসতভিটায়। নষ্ট করে দিচ্ছে ফলের গাছসহ বাড়ির মাচায় রাখা ধান-চাল। এতে হাতির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে উপজেলার কড়ইতলী, মহিষলেটি, রংগমপাড়া, গোবরাকুড়া ও কোচপাড়া এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় লোকজন ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হালুয়াঘাট সীমান্তে আগে শুধু বোরো ও আমন আবাদের সময় হাতি লোকালয়ে এলেও এখন অবাধে চলাফেরা করে হাতির পাল। সর্বশেষ দুই সপ্তাহ ধরে কড়ইতলী এলাকার কোচপাড়া টিলায় ৪০-৪৫টি বন্য হাতি অবস্থান করছে। এই দলে পাঁচ থেকে সাতটি শাবকও আছে। দিনে বনে দেখা গেলেও সন্ধ্যার পরপরই এসব হাতি খাবারের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।
লোকালয়ে হাতি আসায় জানমাল রক্ষায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। রাত জেগে মশাল জ্বালিয়ে বন্য হাতির পাল প্রতিরোধের চেষ্টায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তারা। গত মঙ্গলবার রাতে কড়ইতলী গ্রামে হাতির আক্রমণে গোলাপ হোসেন (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আশপাশের চার গ্রামের মানুষের মধ্যে আরও বেশি আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত চার বছরে হালুয়াঘাট সীমান্তে হাতির আক্রমণে মারা গেছে ১১ জন।
স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টির মধ্যে গোলাপ হোসেনের বাড়িতে হাতি তাণ্ডব চালায়। তছনছ করে দেয় দুটি ঘর। ওই রাতেই পশ্চিম কড়ইতলী গ্রামের আবদুল মালেক মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় হাতির পাল। এ সময় তাঁদের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কয়েক দিন আগে হাতির পাল মহিষলেটি গ্রামের রহম আলী, সাদেক মিয়া, মনু মিয়া, আবদুল আজিজের বাড়িঘর তছনছ করে দেয়। হামলার সময় ঘরে থাকা ধান, চাল, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল খাওয়ার পাশাপাশি নষ্ট করে দেয়। এতে আতঙ্ক বেড়েছে সীমান্তবর্তী ভুবনকুড়া ইউনিয়নের কড়ইতলী, পশ্চিম কড়ইতলী, মহিষলেটি বানাইচিরিঙ্গিপাড়া ও কোচপাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে।
কড়ইতলী গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘আমরা এখন নিরুপায় আত্তি (হাতি) মামা এহন কিচ্ছু মানে না। সরকার হয় ভারতের এই আত্তি সরাক, না হয় আমাগোরে এই এলাকা থেকে সরাই নেক।’ স্থানীয় আরেক কৃষক চান মিয়া জানান, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে রাত জেগে হাতি পাহারায় থাকতে হচ্ছে তাঁদের। এই অবস্থায় হাতির আক্রমণ রোধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাঠে ফসল না থাকায় খাদ্যের সন্ধানে হাতির পাল এখন বসতবাড়িতে হানা দিচ্ছে বলে জানান ভুবনকুড়া ইউপির চেয়ারম্যান সুরুজ মিয়া। তিনি বলেন, ‘হাতির অত্যাচারে গ্রামবাসী নির্ঘুম রাত পার করছে। এদের জঙ্গলে ফেরাতে বন বিভাগের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের নব নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ বলেন, ‘হাতির পাল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বাধার কারণে সীমান্তের ওপারে যেতে পারে না। বিষয়টি সমাধানের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’
ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুরের বিট কর্মকর্তা লোকমান হাকিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বন বিভাগের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে আবেদন করতে বলা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে