গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে সারা দেশের মতো নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। কালোবাজারি বন্ধে ভ্রমণকারীকে এ নিয়মে পয়েন্ট অব সেলস (পিওসি) মেশিনের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হচ্ছে। আজ বুধবার প্রথম দিনে যাত্রীরা এই প্রক্রিয়ায় টিকিট কিনতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎবিভ্রাট ও সার্ভার জটিলতার কারণে নতুন নিয়মে টিকিট দিতে সময় বেশি লাগছে।
আজ দুপুরে গফরগাঁও রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকাগামী আন্তনগর হাওর এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী আন্তনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীরা টিকিট কাউন্টারে লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছেন।
ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিটেরে জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন আফিফা ইয়সমিন (২৮) নামের এক যাত্রী। তবে তিনি মোবাইল ফোনে এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেননি। টিকিট কাউন্টারের পাশে কর্তৃপক্ষ একটি নির্দেশনা লাগিয়ে রেখেছেন। ওই যাত্রী নির্দেশনা অনুসরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে করতে ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যায়।
অপর যাত্রী সিদ্দিকুর রহমান (৫৫) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাবেন ময়মনসিংহগামী আন্তনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে। নতুন নিয়মের কারণে সঙ্গে এনআইডি কার্ড না থাকায় টিকিট পাননি। এ ছাড়া যাদের এনআইডি হয়নি, এমন শিক্ষার্থীরাও ট্রেনে ভ্রমণ করতে না পেরে ফিরে গেছেন। সেই ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদের কপি নিয়ে টিকিট কেটে ভ্রমণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
গফরগাঁও রেলস্টেশন মাস্টার সেলিম আল হারুন বলেন, ‘নতুন নিয়মে যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে সময় লাগবে। এই স্টেশনে আন্তনগর ছয়টি ট্রেনের যাত্রাবিরতি রয়েছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। সেই তুলনায় আসনসংখ্যা খুবই কম। তার ওপর রয়েছে টিকিট কালোবাজারি। এখন যাত্রীরা অনলাইনেও সহজে টিকিট কাটতে পারবেন।’

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে সারা দেশের মতো নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। কালোবাজারি বন্ধে ভ্রমণকারীকে এ নিয়মে পয়েন্ট অব সেলস (পিওসি) মেশিনের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হচ্ছে। আজ বুধবার প্রথম দিনে যাত্রীরা এই প্রক্রিয়ায় টিকিট কিনতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎবিভ্রাট ও সার্ভার জটিলতার কারণে নতুন নিয়মে টিকিট দিতে সময় বেশি লাগছে।
আজ দুপুরে গফরগাঁও রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকাগামী আন্তনগর হাওর এক্সপ্রেস ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী আন্তনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীরা টিকিট কাউন্টারে লাইন দিয়ে অপেক্ষা করছেন।
ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিটেরে জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন আফিফা ইয়সমিন (২৮) নামের এক যাত্রী। তবে তিনি মোবাইল ফোনে এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেননি। টিকিট কাউন্টারের পাশে কর্তৃপক্ষ একটি নির্দেশনা লাগিয়ে রেখেছেন। ওই যাত্রী নির্দেশনা অনুসরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে করতে ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যায়।
অপর যাত্রী সিদ্দিকুর রহমান (৫৫) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাবেন ময়মনসিংহগামী আন্তনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে। নতুন নিয়মের কারণে সঙ্গে এনআইডি কার্ড না থাকায় টিকিট পাননি। এ ছাড়া যাদের এনআইডি হয়নি, এমন শিক্ষার্থীরাও ট্রেনে ভ্রমণ করতে না পেরে ফিরে গেছেন। সেই ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদের কপি নিয়ে টিকিট কেটে ভ্রমণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
গফরগাঁও রেলস্টেশন মাস্টার সেলিম আল হারুন বলেন, ‘নতুন নিয়মে যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে সময় লাগবে। এই স্টেশনে আন্তনগর ছয়টি ট্রেনের যাত্রাবিরতি রয়েছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। সেই তুলনায় আসনসংখ্যা খুবই কম। তার ওপর রয়েছে টিকিট কালোবাজারি। এখন যাত্রীরা অনলাইনেও সহজে টিকিট কাটতে পারবেন।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে