বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত উপজেলায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।
পানিবন্দী মানুষ কর্মহীন হয়ে পাড়ায় তাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েই চলছে। নিম্ন আয়ের পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কষ্টে দিনাতিপাত করছে তারা। সব মিলিয়ে চলতি বন্যায় অনেকটাই বিপাকে পড়েছে পানিবন্দী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া, মেরুরচর, বগারচর ও নিলাখিয়া ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে এই এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনভর বৃষ্টি হওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ছিল চরম দুর্ভোগে। এদিকে উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বাংগালপাড়া, কতুবেরচর, চর আইরমারী, মেরুরচর ইউনিয়নের কলকিহারা গ্রাম, টুপকার চর এবং নিলাখিয়া ইউনিয়নের সাজিমারা ও কুশলনগর গ্রামে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মজনুর রহমান ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু, মেরুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকসহ অন্যরা।
সাধুরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু জানান, তাঁর ইউনিয়নের বাংগালপাড়া, আইরমারী ও কতুবেরচর গ্রামে গত সাত দিনে জিঞ্জিরাম ও দশানী নদীভাঙনে ২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের শিকার এসব পরিবার অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। বসতভিটা হারিয়ে নিম্ন আয়ের এসব পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কুশলনগর, সাজিমারা, আইরমারী, বাংগালপাড়া এলাকায় দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে বসতভিটা বিলীন হওয়ার আগেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে স্থানীয়রা।
নিলক্ষীয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, কুশলনগর ও সাজিমারায় নদীভাঙনে ১০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীভাঙনের শিকার ও পানিবন্দী পরিবারগুলোকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বন্যাদুর্গত এলাকায় আরও ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত উপজেলায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।
পানিবন্দী মানুষ কর্মহীন হয়ে পাড়ায় তাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েই চলছে। নিম্ন আয়ের পরিবারের রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কষ্টে দিনাতিপাত করছে তারা। সব মিলিয়ে চলতি বন্যায় অনেকটাই বিপাকে পড়েছে পানিবন্দী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া, মেরুরচর, বগারচর ও নিলাখিয়া ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে করে এই এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনভর বৃষ্টি হওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ছিল চরম দুর্ভোগে। এদিকে উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বাংগালপাড়া, কতুবেরচর, চর আইরমারী, মেরুরচর ইউনিয়নের কলকিহারা গ্রাম, টুপকার চর এবং নিলাখিয়া ইউনিয়নের সাজিমারা ও কুশলনগর গ্রামে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মজনুর রহমান ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু, মেরুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকসহ অন্যরা।
সাধুরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবু জানান, তাঁর ইউনিয়নের বাংগালপাড়া, আইরমারী ও কতুবেরচর গ্রামে গত সাত দিনে জিঞ্জিরাম ও দশানী নদীভাঙনে ২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের শিকার এসব পরিবার অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। বসতভিটা হারিয়ে নিম্ন আয়ের এসব পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কুশলনগর, সাজিমারা, আইরমারী, বাংগালপাড়া এলাকায় দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনে বসতভিটা বিলীন হওয়ার আগেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে স্থানীয়রা।
নিলক্ষীয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, কুশলনগর ও সাজিমারায় নদীভাঙনে ১০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীভাঙনের শিকার ও পানিবন্দী পরিবারগুলোকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বন্যাদুর্গত এলাকায় আরও ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১৩ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১৮ মিনিট আগে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জেটিঘাটে জাহাজ থেকে নামতেই মাইকিংয়ের শব্দ কানে ভেসে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মীকে পর্যটকদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ করবেন না, পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সরকার ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ...
২৩ মিনিট আগে
নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে