নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের প্রার্থিতা হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আজ বুধবার ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন।
বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন আব্দুস সালামের আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী। তিনি আরও জানান, নৌকার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের মনোনয়ন গ্রহণ করে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন চেম্বার আদালত।
এদিকে আজ সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী নৌকার মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালামকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেন।
গত ৩ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে গত ৯ ডিসেম্বর নৌকা বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। পরে ১৪ ডিসেম্বর আপিল শুনানির পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা প্রার্থিতা বাতিল করেন।
ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে ও প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন আবদুস সালাম। শুনানি নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে আবদুস সালামের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাঁকে প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন আনোয়ারুল আবেদীন খান। এর ওপর আজ চেম্বার আদালতে শুনানি হয়। আদালতে আনোয়ারুল আবেদীন খানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। আবদুস সালামের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের প্রার্থিতা হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিনের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আজ বুধবার ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন।
বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন আব্দুস সালামের আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী। তিনি আরও জানান, নৌকার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালামের মনোনয়ন গ্রহণ করে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেন চেম্বার আদালত।
এদিকে আজ সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী নৌকার মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালামকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেন।
গত ৩ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে গত ৯ ডিসেম্বর নৌকা বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। পরে ১৪ ডিসেম্বর আপিল শুনানির পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা প্রার্থিতা বাতিল করেন।
ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে ও প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন আবদুস সালাম। শুনানি নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে আবদুস সালামের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাঁকে প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন আনোয়ারুল আবেদীন খান। এর ওপর আজ চেম্বার আদালতে শুনানি হয়। আদালতে আনোয়ারুল আবেদীন খানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। আবদুস সালামের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে