প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র্যাবের অভিযানে দালাল চক্রের আটক ১৩ জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইদুল ইসলাম আটক প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এমন অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক নেতারা।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নগরীর চরপাড়া এলাকার এনায়েত কবির (৪২), একই এলাকার মনোয়ার হোসেন (৪২), রতন মিয়া (৪৫), মনির হোসেন (৩৭), মাসুদুল করিম, দিঘারকান্দা এলাকার ফিরোজ মিয়া (৫০), মাসকান্দার আলাল উদ্দিন (৬০), শিকারীকান্দার নজরুল ইসলাম (৪০), সদরের সিরতা আলা উদ্দিন (৫৫), বাঘমারা এলাকার টুটুল আহমেদ শরীফ (৩৭), সদরের বোররচর এলাকার সোহেল মিয়া (৩১), কালীবাড়ি এলাকার আলমগীর হোসেন (৪২) ও বড়ভিলা এলাকার আসাদুল ইসলাম মিশু (২৭)।
র্যাব-১৪–্এ সহকারী পরিচালক ও মিডিয়া অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১৩ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই মমেক হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দালাল। সম্প্রতি মমেক হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। অসহায় রোগীদের সরকারি ওষুধ দেওয়ার কথা বলে এবং উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেওয়ার নামে হাতিয়ে নিত টাকা। দালাল চক্র নির্মূলে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকির হোসেন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণে বহুবার নানা উদ্যোগ নিয়েছিল। ব্যবস্থা নেওয়ায় কয়েক দিন দালাল চক্রের উৎপাত কিছুটা কম দেখা গেলেও পরে আবার বাড়তে থাকে।
র্যাবের এমন উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা চাই হাসপাতালের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার জন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হবে।
জেলা জন–উদ্যোগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, একটা সময় হাসপাতালে দালাল চক্র ছিল না বললেই চলত। সম্প্রতি এদের একটু উৎপাত বেড়ে যাওয়ার খবর শুনেছিলাম। র্যাবকে ধন্যবাদ জানাই অভিযান পরিচালনার জন্য। কিছুদিন পরপর অভিযান করা হলে দালাল চক্র উধাও হতে বাধ্য হবে। এদের কবলে পড়ে অনেকেই নিঃস্ব হওয়ার ঘটনা রয়েছে। এরা মানুষ নামে অমানুষের মতো কাজ করে। এদের কঠিন বিচার না হলে পুনরায় এসে আবারও একই কাজ করবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরেকটু নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
আমিনুল ইসলাম নামে এক আনসার সদস্য বলেন, র্যাবের অভিযানের পর থেকে হাসপাতালের পরিবেশটা হালকা মনে হচ্ছে। রোগী নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে পরিচিত মুখ দেখা যাচ্ছে না। ভালো চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে একপ্রকার জোর করেই রোগীকে দালাল নিয়ে যেত। পরে তাদের কাছ থেকে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা।

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে র্যাবের অভিযানে দালাল চক্রের আটক ১৩ জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাইদুল ইসলাম আটক প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এমন অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক নেতারা।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নগরীর চরপাড়া এলাকার এনায়েত কবির (৪২), একই এলাকার মনোয়ার হোসেন (৪২), রতন মিয়া (৪৫), মনির হোসেন (৩৭), মাসুদুল করিম, দিঘারকান্দা এলাকার ফিরোজ মিয়া (৫০), মাসকান্দার আলাল উদ্দিন (৬০), শিকারীকান্দার নজরুল ইসলাম (৪০), সদরের সিরতা আলা উদ্দিন (৫৫), বাঘমারা এলাকার টুটুল আহমেদ শরীফ (৩৭), সদরের বোররচর এলাকার সোহেল মিয়া (৩১), কালীবাড়ি এলাকার আলমগীর হোসেন (৪২) ও বড়ভিলা এলাকার আসাদুল ইসলাম মিশু (২৭)।
র্যাব-১৪–্এ সহকারী পরিচালক ও মিডিয়া অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১৩ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই মমেক হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দালাল। সম্প্রতি মমেক হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। অসহায় রোগীদের সরকারি ওষুধ দেওয়ার কথা বলে এবং উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেওয়ার নামে হাতিয়ে নিত টাকা। দালাল চক্র নির্মূলে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকির হোসেন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণে বহুবার নানা উদ্যোগ নিয়েছিল। ব্যবস্থা নেওয়ায় কয়েক দিন দালাল চক্রের উৎপাত কিছুটা কম দেখা গেলেও পরে আবার বাড়তে থাকে।
র্যাবের এমন উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা চাই হাসপাতালের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার জন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হবে।
জেলা জন–উদ্যোগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, একটা সময় হাসপাতালে দালাল চক্র ছিল না বললেই চলত। সম্প্রতি এদের একটু উৎপাত বেড়ে যাওয়ার খবর শুনেছিলাম। র্যাবকে ধন্যবাদ জানাই অভিযান পরিচালনার জন্য। কিছুদিন পরপর অভিযান করা হলে দালাল চক্র উধাও হতে বাধ্য হবে। এদের কবলে পড়ে অনেকেই নিঃস্ব হওয়ার ঘটনা রয়েছে। এরা মানুষ নামে অমানুষের মতো কাজ করে। এদের কঠিন বিচার না হলে পুনরায় এসে আবারও একই কাজ করবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরেকটু নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
আমিনুল ইসলাম নামে এক আনসার সদস্য বলেন, র্যাবের অভিযানের পর থেকে হাসপাতালের পরিবেশটা হালকা মনে হচ্ছে। রোগী নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে পরিচিত মুখ দেখা যাচ্ছে না। ভালো চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে একপ্রকার জোর করেই রোগীকে দালাল নিয়ে যেত। পরে তাদের কাছ থেকে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা।

পাবনার সুজানগরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে সাগর শেখ ওরফে মাসুদ রানা (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার তাঁতিবন্ধ ইউনিয়নের রেলস্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
সিআইডির প্রধান জানান, পাচার চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়ে বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেয়। পরে তাঁদেরকে অবৈধভাবে লিবিয়া পাঠানো হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ডিঙি নৌকায় তোলা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানী থেকে টেলিগ্রামভিত্তিক প্রতারণা চক্রের পাঁচ চীনা নাগরিকসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বসুন্ধরা ও উত্তরা পশ্চিম এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে