মাহিদুল ইসলাম, মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারে প্রশাসনের একের পর এক অভিযান ও জেল-জরিমানার পরও বন্ধ হচ্ছে না ছড়া থেকে নির্বিচারে সিলিকা ও সাধারণ বালু লুট। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অবৈধভাবে চলছে এই বালু উত্তোলন। এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে গত ১১ মাসে জেলার শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৫০টি অভিযান চালায় প্রশাসন। জব্দ করা হয় অন্তত ৪ কোটি ঘনফুট বালু; যা ১৭ কোটির বেশি টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বালু লুটের প্রভাবে পরিবেশের ক্ষতিসহ ছড়ার পাড়ে ভাঙন, বালু পরিবহনে রাস্তায় ভাঙনসহ নানাভাবে দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ছড়ায় বালু তোলার পথ বন্ধ করে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে, তবু থামছে না বালু লুট।
জানা গেছে, জেলার সবচেয়ে বেশি সিলিকা বালু রয়েছে শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। এই উপজেলায় গত ১১ মাসে সিলিকাসহ সাধারণ বালু লুটের ঘটনায় ১৬টি মামলা করা হয়। এ ছাড়া সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৭১ হাজার ২৮৫ ঘনফুট বালু জব্দ করে তিনবার নিলামে বিক্রি করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলায় বালু লুটের ঘটনায় গত ১১ মাসে ২১টি অভিযান চালানো হয়। এ সময় অপরাধীদের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কুলাউড়া উপজেলায় অভিযানে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪১ হাজার ১৯২ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। গত রোববার নিলামে ১৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এসব বালু বিক্রি করে উপজেলা প্রশাসন।
গত ১৬ আগস্ট দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘মৌলভীবাজারে সিলিকা বালু লুট হচ্ছে নির্বিচারে’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রচারের পর জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সিলিকা বালুর ছড়াগুলো বিশেষ নজরদারিতে আনা হয়। বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন ছড়া থেকে তোলা সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন সিলিকা বালুর কোয়ারির বালু তোলার পথ বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে লালা পতাকা টাঙানো হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার শান্তিবাগ এলাকায় ভুড়ভুরিয়া ছড়া থেকে ১০০ ঘনফুট সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। ২৭ আগস্ট গোপলা ছড়ায় সেতুর পাশ থেকে বালু তোলা বন্ধ করে প্রশাসন। এ ছাড়া ২৬ আগস্ট রঘুনাথপুর কালীবাড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০০ ফুট সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। একই দিনে সিন্দুরখান ইউনিয়নের সিক্কা ও ডোবাগাও এলাকায় আরও দুই অবৈধ ঘাটে এবং ১৯ আগস্ট সিন্দুরখান, আশিদ্রোন ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ও ৩১ আগস্ট কমলগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ধলাই নদের চৈত্রঘাট বালুমহাল থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় দুজনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। গত ২১ আগস্টে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার মনু নদের চাঁদনীঘাটে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলায় সাতজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ জেলায় সিলিকা বালুর কোয়ারির তালিকায় রয়েছে ৫২টি ছড়া। এর মধ্যে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমোদিত ৩৩টি সিলিকা বালু কোয়ারি রয়েছে। শুধু শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৩১টি ছড়া রয়েছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলায় দুটি ছড়াসহ বিভিন্ন নদীর ২৬টি সাধারণ বলুমহাল রয়েছে। এর মধ্যে ধলাই ও মনু নদের সব কটি মহাল ইজারার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহিবুল্লাহ আকন বলেন, ‘আমি যোগদান করেছি এক সপ্তাহ হয়েছে। এর মধ্যে তিন দিনই অবৈধভাবে বালু তোলা বন্ধে অভিযানে বের হতে হয়েছে।’
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘ইজারাবিহীন ঘাট থেকে বালু তোলার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে। যাঁরাই এই অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়াবেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
কমলগঞ্জের ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে বালু তুলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যাঁরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মৌলভীবাজারে প্রশাসনের একের পর এক অভিযান ও জেল-জরিমানার পরও বন্ধ হচ্ছে না ছড়া থেকে নির্বিচারে সিলিকা ও সাধারণ বালু লুট। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অবৈধভাবে চলছে এই বালু উত্তোলন। এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে গত ১১ মাসে জেলার শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৫০টি অভিযান চালায় প্রশাসন। জব্দ করা হয় অন্তত ৪ কোটি ঘনফুট বালু; যা ১৭ কোটির বেশি টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বালু লুটের প্রভাবে পরিবেশের ক্ষতিসহ ছড়ার পাড়ে ভাঙন, বালু পরিবহনে রাস্তায় ভাঙনসহ নানাভাবে দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ছড়ায় বালু তোলার পথ বন্ধ করে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে, তবু থামছে না বালু লুট।
জানা গেছে, জেলার সবচেয়ে বেশি সিলিকা বালু রয়েছে শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। এই উপজেলায় গত ১১ মাসে সিলিকাসহ সাধারণ বালু লুটের ঘটনায় ১৬টি মামলা করা হয়। এ ছাড়া সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৭১ হাজার ২৮৫ ঘনফুট বালু জব্দ করে তিনবার নিলামে বিক্রি করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলায় বালু লুটের ঘটনায় গত ১১ মাসে ২১টি অভিযান চালানো হয়। এ সময় অপরাধীদের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। কুলাউড়া উপজেলায় অভিযানে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪১ হাজার ১৯২ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়। গত রোববার নিলামে ১৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এসব বালু বিক্রি করে উপজেলা প্রশাসন।
গত ১৬ আগস্ট দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘মৌলভীবাজারে সিলিকা বালু লুট হচ্ছে নির্বিচারে’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রচারের পর জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সিলিকা বালুর ছড়াগুলো বিশেষ নজরদারিতে আনা হয়। বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন ছড়া থেকে তোলা সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন সিলিকা বালুর কোয়ারির বালু তোলার পথ বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে লালা পতাকা টাঙানো হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার শান্তিবাগ এলাকায় ভুড়ভুরিয়া ছড়া থেকে ১০০ ঘনফুট সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। ২৭ আগস্ট গোপলা ছড়ায় সেতুর পাশ থেকে বালু তোলা বন্ধ করে প্রশাসন। এ ছাড়া ২৬ আগস্ট রঘুনাথপুর কালীবাড়ি এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০০ ফুট সিলিকা বালু জব্দ করা হয়। একই দিনে সিন্দুরখান ইউনিয়নের সিক্কা ও ডোবাগাও এলাকায় আরও দুই অবৈধ ঘাটে এবং ১৯ আগস্ট সিন্দুরখান, আশিদ্রোন ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ও ৩১ আগস্ট কমলগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ধলাই নদের চৈত্রঘাট বালুমহাল থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় দুজনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। গত ২১ আগস্টে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার মনু নদের চাঁদনীঘাটে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলায় সাতজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ জেলায় সিলিকা বালুর কোয়ারির তালিকায় রয়েছে ৫২টি ছড়া। এর মধ্যে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর অনুমোদিত ৩৩টি সিলিকা বালু কোয়ারি রয়েছে। শুধু শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৩১টি ছড়া রয়েছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলায় দুটি ছড়াসহ বিভিন্ন নদীর ২৬টি সাধারণ বলুমহাল রয়েছে। এর মধ্যে ধলাই ও মনু নদের সব কটি মহাল ইজারার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহিবুল্লাহ আকন বলেন, ‘আমি যোগদান করেছি এক সপ্তাহ হয়েছে। এর মধ্যে তিন দিনই অবৈধভাবে বালু তোলা বন্ধে অভিযানে বের হতে হয়েছে।’
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘ইজারাবিহীন ঘাট থেকে বালু তোলার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে। যাঁরাই এই অবৈধ কাজের সঙ্গে জড়াবেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
কমলগঞ্জের ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে বালু তুলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. ইসরাইল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যাঁরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
১ ঘণ্টা আগে