
মেহেরপুরে গাংনীতে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই রয়েছে রোগী। রোগ নিয়ে কেউ কেউ গ্রাম্যচিকিৎসকের কাছে গেলেও অধিকাংশই ছুটছে সরকারি হাসপাতালে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ৫০ শয্যার বিপরীতে শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছে। সেখানে শিশুসহ সব বয়সী রোগী রয়েছে। তারা বলছে, জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা হচ্ছে। রোগী বাড়ায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
চিকিৎসা নিতে আসা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘মেয়ের চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসেছি। সর্দি, জ্বর ও কাশি সব একসঙ্গে হয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই এসব রোগে ভুগছে লোকজন।’
আলাউদ্দিন নামের একজন বলেন, ‘আমার ছোট মেয়েটা খুবই অসুস্থ। কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি লেগে আছে। তাই হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখানে রোগী অনেক। অধিকাংশ রোগী মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বাড়ানো দরকার।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পাশাপাশি কেউ কেউ বাইরেও চিকিৎসা করাচ্ছে। মোহাম্মদ আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। চিকিৎসা দিয়েও কমেনি। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে গিয়ে ভর্তি করাই। এখন অনেকটা সুস্থ রয়েছে।’
এ নিয়ে কথা হলে পল্লিচিকিৎসক কামরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন রোগী আসছে। ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছে। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে রোগী রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ বিভিন্ন ধরনের রোগী আসছে। এখানে মাত্র ৫০টি বেড রয়েছে। জায়গা না হওয়ায় অনেকে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি রোগীর সেবা দেওয়ার। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে রোগীরা।’

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৬ ঘণ্টা আগে