রাকিবুল ইসলাম (গাংনী) মেহেরপুর

মেহেরপুরে গাংনীতে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই রয়েছে রোগী। রোগ নিয়ে কেউ কেউ গ্রাম্যচিকিৎসকের কাছে গেলেও অধিকাংশই ছুটছে সরকারি হাসপাতালে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ৫০ শয্যার বিপরীতে শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছে। সেখানে শিশুসহ সব বয়সী রোগী রয়েছে। তারা বলছে, জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা হচ্ছে। রোগী বাড়ায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
চিকিৎসা নিতে আসা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘মেয়ের চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসেছি। সর্দি, জ্বর ও কাশি সব একসঙ্গে হয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই এসব রোগে ভুগছে লোকজন।’
আলাউদ্দিন নামের একজন বলেন, ‘আমার ছোট মেয়েটা খুবই অসুস্থ। কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি লেগে আছে। তাই হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখানে রোগী অনেক। অধিকাংশ রোগী মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বাড়ানো দরকার।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পাশাপাশি কেউ কেউ বাইরেও চিকিৎসা করাচ্ছে। মোহাম্মদ আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। চিকিৎসা দিয়েও কমেনি। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে গিয়ে ভর্তি করাই। এখন অনেকটা সুস্থ রয়েছে।’
এ নিয়ে কথা হলে পল্লিচিকিৎসক কামরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন রোগী আসছে। ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছে। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে রোগী রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ বিভিন্ন ধরনের রোগী আসছে। এখানে মাত্র ৫০টি বেড রয়েছে। জায়গা না হওয়ায় অনেকে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি রোগীর সেবা দেওয়ার। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে রোগীরা।’

মেহেরপুরে গাংনীতে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই রয়েছে রোগী। রোগ নিয়ে কেউ কেউ গ্রাম্যচিকিৎসকের কাছে গেলেও অধিকাংশই ছুটছে সরকারি হাসপাতালে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ৫০ শয্যার বিপরীতে শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছে। সেখানে শিশুসহ সব বয়সী রোগী রয়েছে। তারা বলছে, জ্বরের সঙ্গে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা হচ্ছে। রোগী বাড়ায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
চিকিৎসা নিতে আসা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘মেয়ের চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসেছি। সর্দি, জ্বর ও কাশি সব একসঙ্গে হয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই এসব রোগে ভুগছে লোকজন।’
আলাউদ্দিন নামের একজন বলেন, ‘আমার ছোট মেয়েটা খুবই অসুস্থ। কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি লেগে আছে। তাই হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখানে রোগী অনেক। অধিকাংশ রোগী মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বাড়ানো দরকার।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পাশাপাশি কেউ কেউ বাইরেও চিকিৎসা করাচ্ছে। মোহাম্মদ আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। চিকিৎসা দিয়েও কমেনি। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে গিয়ে ভর্তি করাই। এখন অনেকটা সুস্থ রয়েছে।’
এ নিয়ে কথা হলে পল্লিচিকিৎসক কামরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন রোগী আসছে। ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছে। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে রোগী রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন জ্বর, ঠান্ডা, কাশিসহ বিভিন্ন ধরনের রোগী আসছে। এখানে মাত্র ৫০টি বেড রয়েছে। জায়গা না হওয়ায় অনেকে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি রোগীর সেবা দেওয়ার। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে রোগীরা।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
২২ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
৩০ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৭ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৪৩ মিনিট আগে