গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের ঝোড়াঘাট ও দেবীপুরের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা নিজেদের অর্থায়নে সংস্কারের কাজ করছেন গ্রামবাসী। এসব রাস্তায় বর্ষার সময় চলাচলে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় মানুষের। ইট-খোয়া ফেলে যাতায়াতের উপযোগী করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, অনেক বছর ধরে ঝোড়াঘাট ও দেবীপুর গ্রামের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তায় কাজ করা হয়নি। এসব রাস্তা দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় ভোগান্তিতে বেশি পড়তে হয়। এ সময় রাস্তায় কাদা থাকে। এতে বাইসাইকেল নিয়েও বের হতে পারেন না গ্রামের মানুষ।
ঝোড়াঘাট গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাদের গ্রাম দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। শুকনোর সময় একটু চলাচল করা যায়। কিন্তু বর্ষার সময় এত পরিমাণ কাদা হয়, মানুষের চলাচলের উপযোগী আর থাকে না। এ জন্য নিজেদের অর্থায়নে চলাচলের জন্য কাজ করছি।’ আর এই উদ্যোগ নিয়েছে লিটন মালিথা নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা।
ঝোড়াঘাট গ্রামের আরেক বাসিন্দা বাবুর আলী বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় কাদা-পানি থাকার কারণে আমাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট হয়। এখন গ্রামবাসী নিজেরাই অর্থ দিয়ে রাস্তার কাজ করছি। এ জন্য যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাঁকে ধন্যবাদ।’
উপজেলার দেবীপুর দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেবীপুর দক্ষিণপাড়ার রাস্তা দিয়ে চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। বর্ষা মৌসুম এলে কাদায় চলা যায় না। গত বছর ইট-খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হয়। কিন্তু বর্ষায় আবারও কাদা হয়েছে। তাই স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে নিজেরাই টাকা তুলে ইট-খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের গ্রামের লিটন মালিথা যে কাজটার উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। রাস্তার কাজগুলো শেষ হলে আর মানুষকে কাদার মধ্যে চলাচল করতে হবে না। তার এই কাজের জন্য তাঁকে সাধুবাদ জানাই।
এ বিষয়ে মো. লিটন মালিথা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বুদ্ধি হওয়ার বয়স থেকে ঝোড়াঘাট গ্রামের রাস্তায় একটি ইটও কাউকে ফেলতে দেখিনি। গ্রামের মানুষের সার্বিক কষ্টের কথা বিবেচনা করে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। গ্রামের যত অলিগলি আছে সবগুলোর কাজ করব। বর্ষা মৌসুমে ঝোড়াঘাট গ্রামের তিনটি ছোট রাস্তার কেমন দশা হয় তা বলে বোঝানো যাবে না। রাস্তায় এত পরিমাণ কাদা হয় যে মানুষ ঘর থেকে বের হলেই কাদায় পা ফেলতে হয়। এ কাজের জন্য আমাকে অর্থসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছেন গ্রামের লোকজন।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল হোসেন বলেন, ঝোড়াঘাট ও দেবীপুরের রাস্তা যদি সরকারিভাবে নথিভুক্ত থাকে, তাহলে গ্রামের লোকজনের আবেদনের ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হবে।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের ঝোড়াঘাট ও দেবীপুরের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা নিজেদের অর্থায়নে সংস্কারের কাজ করছেন গ্রামবাসী। এসব রাস্তায় বর্ষার সময় চলাচলে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় মানুষের। ইট-খোয়া ফেলে যাতায়াতের উপযোগী করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, অনেক বছর ধরে ঝোড়াঘাট ও দেবীপুর গ্রামের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তায় কাজ করা হয়নি। এসব রাস্তা দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় ভোগান্তিতে বেশি পড়তে হয়। এ সময় রাস্তায় কাদা থাকে। এতে বাইসাইকেল নিয়েও বের হতে পারেন না গ্রামের মানুষ।
ঝোড়াঘাট গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাদের গ্রাম দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। শুকনোর সময় একটু চলাচল করা যায়। কিন্তু বর্ষার সময় এত পরিমাণ কাদা হয়, মানুষের চলাচলের উপযোগী আর থাকে না। এ জন্য নিজেদের অর্থায়নে চলাচলের জন্য কাজ করছি।’ আর এই উদ্যোগ নিয়েছে লিটন মালিথা নামের একজন স্থানীয় বাসিন্দা।
ঝোড়াঘাট গ্রামের আরেক বাসিন্দা বাবুর আলী বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় কাদা-পানি থাকার কারণে আমাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট হয়। এখন গ্রামবাসী নিজেরাই অর্থ দিয়ে রাস্তার কাজ করছি। এ জন্য যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাঁকে ধন্যবাদ।’
উপজেলার দেবীপুর দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেবীপুর দক্ষিণপাড়ার রাস্তা দিয়ে চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। বর্ষা মৌসুম এলে কাদায় চলা যায় না। গত বছর ইট-খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হয়। কিন্তু বর্ষায় আবারও কাদা হয়েছে। তাই স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে নিজেরাই টাকা তুলে ইট-খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের গ্রামের লিটন মালিথা যে কাজটার উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। রাস্তার কাজগুলো শেষ হলে আর মানুষকে কাদার মধ্যে চলাচল করতে হবে না। তার এই কাজের জন্য তাঁকে সাধুবাদ জানাই।
এ বিষয়ে মো. লিটন মালিথা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বুদ্ধি হওয়ার বয়স থেকে ঝোড়াঘাট গ্রামের রাস্তায় একটি ইটও কাউকে ফেলতে দেখিনি। গ্রামের মানুষের সার্বিক কষ্টের কথা বিবেচনা করে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। গ্রামের যত অলিগলি আছে সবগুলোর কাজ করব। বর্ষা মৌসুমে ঝোড়াঘাট গ্রামের তিনটি ছোট রাস্তার কেমন দশা হয় তা বলে বোঝানো যাবে না। রাস্তায় এত পরিমাণ কাদা হয় যে মানুষ ঘর থেকে বের হলেই কাদায় পা ফেলতে হয়। এ কাজের জন্য আমাকে অর্থসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছেন গ্রামের লোকজন।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল হোসেন বলেন, ঝোড়াঘাট ও দেবীপুরের রাস্তা যদি সরকারিভাবে নথিভুক্ত থাকে, তাহলে গ্রামের লোকজনের আবেদনের ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে