মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এনজিও পরিচালক শহিদুল হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে মানিকগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য দুই আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে শাহিন আলমকে ১০ হাজার টাকা এবং বাকি আসামিদের প্রত্যেককে সাড়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এই রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় মো. শাহিন আলমকে (২৫)। তিনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার গোয়ারীপাড়া গ্রামের মৃত আহসান উদ্দিনের ছেলে।
যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইলের থানাপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম স্বাধীনের ছেলে সাহেদ (২৫), একই জেলার নাগরপুর উপজেলার দোয়াজানী গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাজা মিয়া ওরফে রাজা (২৫), নাগরপুর উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রামের সামসুল হক বেপারীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (২৮) ও টাঙ্গাইলের সুইপার কলোনির মিহির লালের ছেলে বিষ্ণু সুইপার (২৫)। এঁদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন শাহিন আলম, রাজা মিয়া ও আব্দুল কুদ্দুস।
মামলায় দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় রহম আলী ও সেলিম মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালে দণ্ড পাওয়া শাহিন আলম ও নিহত শহিদুল মিলে ‘প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি বেসরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। ওই বছরের ২১ মে এনজিও প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে ১০ লাখ টাকা আসে। প্রতিষ্ঠানের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য পরিচালক শহিদুলকে গলা কেটে হত্যা করেন শাহিন আলম, সাহেদ মিয়া, রাজা মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও বিষ্ণু সুইপার।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করে। ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল জলিল। মামলায় মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সরকার পক্ষের আইনজীবী মথুর নাথ সরকার সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মিজানুর রহমান ও অরবিন্দ পোদ্দার উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এনজিও পরিচালক শহিদুল হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে মানিকগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য দুই আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে শাহিন আলমকে ১০ হাজার টাকা এবং বাকি আসামিদের প্রত্যেককে সাড়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
এই রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় মো. শাহিন আলমকে (২৫)। তিনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার গোয়ারীপাড়া গ্রামের মৃত আহসান উদ্দিনের ছেলে।
যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইলের থানাপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম স্বাধীনের ছেলে সাহেদ (২৫), একই জেলার নাগরপুর উপজেলার দোয়াজানী গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রাজা মিয়া ওরফে রাজা (২৫), নাগরপুর উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রামের সামসুল হক বেপারীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (২৮) ও টাঙ্গাইলের সুইপার কলোনির মিহির লালের ছেলে বিষ্ণু সুইপার (২৫)। এঁদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন শাহিন আলম, রাজা মিয়া ও আব্দুল কুদ্দুস।
মামলায় দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় রহম আলী ও সেলিম মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালে দণ্ড পাওয়া শাহিন আলম ও নিহত শহিদুল মিলে ‘প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি বেসরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন। ওই বছরের ২১ মে এনজিও প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে ১০ লাখ টাকা আসে। প্রতিষ্ঠানের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য পরিচালক শহিদুলকে গলা কেটে হত্যা করেন শাহিন আলম, সাহেদ মিয়া, রাজা মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও বিষ্ণু সুইপার।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করে। ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল জলিল। মামলায় মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সরকার পক্ষের আইনজীবী মথুর নাথ সরকার সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মিজানুর রহমান ও অরবিন্দ পোদ্দার উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে