সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে পাবজি খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. রাজু (১৩) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজুর মৃত্যু হয়।
নিহত রাজু উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল এলাকার মোসলেম মিস্ত্রী ওরফে মোছার ছেলে। এ ঘটনায় ওই এলাকার রাজু কোরাইশীর ছেলে আলিফ (১৪), আলিফের মা হোসনিয়ারা (৪৫) এবং ভগ্নিপতি সাবেক সেনা সদস্য মাহমুদকে (৫৫) শটগানসহ (লাইসেন্সকৃত) গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ।
নিহত রাজুর বাবা মো. মুসলেম ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের রাজু কোরাইশীর ছেলে মো. আলিফ ও ওই এলাকার মো. মুসলেমের ছেলে রাজুর সঙ্গে পাবজি খেলা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জের ধরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে রাজুকে কৌশলে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় আলিফ। পরে রাজুকে মুখে শার্ট ঢুকিয়ে মাথা এবং বুকে ইট দিয়ে আঘাত করে। এক পর্যায় রাজুর মৃত্যু হয়েছে ভেবে আলিফ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা আহত রাজুকে উদ্ধার করে সাহরাইল ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে রাজুকে রাতেই সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোর রাতে তার হয়।
এদিকে রাজুর মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত আলিফের বাড়ি ঘেরাও করেন। বিষয়টি থানা-পুলিশ জানার পর ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্যা বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে অভিযুক্ত মো. আলিফসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে পাবজি খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. রাজু (১৩) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজুর মৃত্যু হয়।
নিহত রাজু উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল এলাকার মোসলেম মিস্ত্রী ওরফে মোছার ছেলে। এ ঘটনায় ওই এলাকার রাজু কোরাইশীর ছেলে আলিফ (১৪), আলিফের মা হোসনিয়ারা (৪৫) এবং ভগ্নিপতি সাবেক সেনা সদস্য মাহমুদকে (৫৫) শটগানসহ (লাইসেন্সকৃত) গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ।
নিহত রাজুর বাবা মো. মুসলেম ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের রাজু কোরাইশীর ছেলে মো. আলিফ ও ওই এলাকার মো. মুসলেমের ছেলে রাজুর সঙ্গে পাবজি খেলা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জের ধরে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে রাজুকে কৌশলে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় আলিফ। পরে রাজুকে মুখে শার্ট ঢুকিয়ে মাথা এবং বুকে ইট দিয়ে আঘাত করে। এক পর্যায় রাজুর মৃত্যু হয়েছে ভেবে আলিফ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা আহত রাজুকে উদ্ধার করে সাহরাইল ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে রাজুকে রাতেই সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোর রাতে তার হয়।
এদিকে রাজুর মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত আলিফের বাড়ি ঘেরাও করেন। বিষয়টি থানা-পুলিশ জানার পর ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্যা বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে অভিযুক্ত মো. আলিফসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের কক্সবাজারে রহিদ বড়ুয়া (১৯) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিজিবি ক্যাম্পের পশ্চিমপাড়ায় বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে
অনেকটা পাগলের মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী, এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। এসব খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক...
৩৮ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মেডলার গ্রুপ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানা যা
১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। গুমের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিন শুরু
১ ঘণ্টা আগে