মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মায়ের জানাজায় অংশ নিতে এক ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র আব্দুর রাজ্জাক রাজা।
আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পুলিশ পাহারায় মায়ের জানাজায় অংশ নেন। পরে জানাজা শেষে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়।
মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাকের মা জোহরা বেগম (৭০) গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখতে ও জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তি চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হাসান খান বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেন। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পুলিশ পাহারায় সদর উপজেলার দাশরা গ্রামের ভাওইপাড়ার নিজ এলাকা রহমতপুর কবরস্থানে জানাজায় অংশ নেন। এরপর জানাজা শেষ করে বেলা ২টার দিকে কবরস্থান থেকে কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা, জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগে জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ বলেন, যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিতে আদালতের নির্দেশে প্যারোলে মুক্তি পান। জানাজা শেষে পুলিশ প্রহরায় তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মায়ের জানাজায় অংশ নিতে এক ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র আব্দুর রাজ্জাক রাজা।
আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পুলিশ পাহারায় মায়ের জানাজায় অংশ নেন। পরে জানাজা শেষে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়।
মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাকের মা জোহরা বেগম (৭০) গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখতে ও জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তি চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হাসান খান বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেন। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পুলিশ পাহারায় সদর উপজেলার দাশরা গ্রামের ভাওইপাড়ার নিজ এলাকা রহমতপুর কবরস্থানে জানাজায় অংশ নেন। এরপর জানাজা শেষ করে বেলা ২টার দিকে কবরস্থান থেকে কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা, জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগে জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ বলেন, যুবলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিতে আদালতের নির্দেশে প্যারোলে মুক্তি পান। জানাজা শেষে পুলিশ প্রহরায় তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
৩০ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে