ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের ঘিওরে উপজেলা নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সদস্যদের ডিউটি দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপির কর্মরত দলনেতাদের দিয়ে সিন্ডিকেট করে সাধারণ আনসার সদস্যদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে।
২১ মে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপজেলার ৫৮টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন ৬৯৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। এর মধ্যে পুরুষ সদস্য ৪৬৪ এবং নারী আনসার সদস্য ২৩২ জন। এই সদস্যদের নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে গত শনিবার যাচাই-বাছাই করা হয়। শেষে আনসার সদস্যদের তালিকা তৈরি করা হয়। এ আগে নেওয়া হয় ঘুষ। গতকাল রোববার উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ জন আনসার সদস্যের সঙ্গে কথা বলে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ের সত্যতা পাওয়া যায়। এই সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচনে যাঁরা ডিউটি করবেন তাঁদের অধিকাংশ সদস্যকে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আনসারের এক প্লাটুন কমান্ডার বলেন, ‘অফিসের স্যাররা বলেছেন খরচ নিতে। কী কারণে এবং কোন খরচের জন্য তা আমি বলতে পারব না। সবার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় নাই, কয়েকজনের কাছ থেকে সামান্য কিছু নেওয়া হয়েছে।’
তবে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ফাতেমা আক্তার জানান, ‘অর্থ-বাণিজ্যের বিষয়ে আমি অবগত নই। ১৭ জন আনসার সদস্য ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে ডিউটি নিতে এসেছিলেন। তাঁদের নেওয়া হয়নি। তাঁরা হয়তো এমন মিথ্যাচার করতে পারেন।’
নির্বাচনে দুই দিন দায়িত্ব পালন বাবদ প্রতি সদস্য সম্মানী পাবেন ২ হাজার ৮৫০ টাকা। প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্লাটুন কমান্ডাররা (এপিসি) পাবেন ৩ হাজার ১৫০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার সদস্য বলেন, টাকা না দিলে তাঁদের ডিউটি দেওয়া হয় না। অফিস কর্মকর্তারা নানা ধরনের হয়রানি করেন। সাধারণ আনসার সদস্যরা নিরুপায়, ভয়ে কিছু বলতে পারি না।’
তবে ঘিওর সদর ইউনিয়ন আনসার দলনেতা (সহকারী কমান্ডার) ছায়া রানী ও সামেজ উদ্দিন বলেন, ‘টাকা নেইনি। তবে কয়েকজন আত্মীয়স্বজনকে ডিউটিতে নিয়োগ দিয়েছি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মো. রবিউল জানান, ‘উপজেলায় একাধিক ইউনিটে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় তিন হাজার সাধারণ আনসার সদস্য রয়েছেন। অর্থ নিয়ে ডিউটি দেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই।’

মানিকগঞ্জের ঘিওরে উপজেলা নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সদস্যদের ডিউটি দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপির কর্মরত দলনেতাদের দিয়ে সিন্ডিকেট করে সাধারণ আনসার সদস্যদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে।
২১ মে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপজেলার ৫৮টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন ৬৯৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। এর মধ্যে পুরুষ সদস্য ৪৬৪ এবং নারী আনসার সদস্য ২৩২ জন। এই সদস্যদের নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে গত শনিবার যাচাই-বাছাই করা হয়। শেষে আনসার সদস্যদের তালিকা তৈরি করা হয়। এ আগে নেওয়া হয় ঘুষ। গতকাল রোববার উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ জন আনসার সদস্যের সঙ্গে কথা বলে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ের সত্যতা পাওয়া যায়। এই সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচনে যাঁরা ডিউটি করবেন তাঁদের অধিকাংশ সদস্যকে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আনসারের এক প্লাটুন কমান্ডার বলেন, ‘অফিসের স্যাররা বলেছেন খরচ নিতে। কী কারণে এবং কোন খরচের জন্য তা আমি বলতে পারব না। সবার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় নাই, কয়েকজনের কাছ থেকে সামান্য কিছু নেওয়া হয়েছে।’
তবে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ফাতেমা আক্তার জানান, ‘অর্থ-বাণিজ্যের বিষয়ে আমি অবগত নই। ১৭ জন আনসার সদস্য ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে ডিউটি নিতে এসেছিলেন। তাঁদের নেওয়া হয়নি। তাঁরা হয়তো এমন মিথ্যাচার করতে পারেন।’
নির্বাচনে দুই দিন দায়িত্ব পালন বাবদ প্রতি সদস্য সম্মানী পাবেন ২ হাজার ৮৫০ টাকা। প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্লাটুন কমান্ডাররা (এপিসি) পাবেন ৩ হাজার ১৫০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার সদস্য বলেন, টাকা না দিলে তাঁদের ডিউটি দেওয়া হয় না। অফিস কর্মকর্তারা নানা ধরনের হয়রানি করেন। সাধারণ আনসার সদস্যরা নিরুপায়, ভয়ে কিছু বলতে পারি না।’
তবে ঘিওর সদর ইউনিয়ন আনসার দলনেতা (সহকারী কমান্ডার) ছায়া রানী ও সামেজ উদ্দিন বলেন, ‘টাকা নেইনি। তবে কয়েকজন আত্মীয়স্বজনকে ডিউটিতে নিয়োগ দিয়েছি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মো. রবিউল জানান, ‘উপজেলায় একাধিক ইউনিটে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় তিন হাজার সাধারণ আনসার সদস্য রয়েছেন। অর্থ নিয়ে ডিউটি দেওয়ার বিষয়ে আমি অবগত নই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে