প্রতিনিধি, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের ঘিওরে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। বিক্ষোভ শেষে ঘিওর উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘেরাও করেন স্থানীয়রা। আজ সোমবার ঘিওর উপজেলার বৈলট, কৈশুন্ডা, বাটোরাকান্দি ও মাইলাগীর এলাকাবাসী বিদ্যুৎ ভোগান্তির কারণে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এলাকাবাসী ঘিওর জোনাল বিদ্যুৎ অফিসের প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন।
ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হারুন অর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে আমার ও আশপাশের এলাকার লোকজনের ফ্রিজ, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক জিনিস বিকল হয়ে গেছে।
বৈলট বাজার বণিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ঘিওর উপজেলার ঘিওর ইউনিয়নের বৈলট গ্রামের বাজার থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকার বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিদিন সকাল কিংবা বিকেলে ১৫ / ২০ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এ ছাড়া আমাদের ব্যবসায়ী মহলের ব্যবসায়ও ক্ষতি হচ্ছে। এ সমস্যার বিষয়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভাগের লোকেদের জানানো হলেও ভোগান্তি কমেনি; বরং বেড়েছে।
ঘিওর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমি ঘিওর উপজেলা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, অসময়ে বিভিন্ন খাল-বিল ও নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ লাইনের চরম ক্ষতি হচ্ছে। বিদ্যুৎ লাইন রক্ষার্থে আমাদের সময়ে-অসময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঘিওর উপজেলা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি ঘিওরে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমি ঘিওরকে মডেল থানা হিসেবে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছি। জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানুষের সেবায় মাঠ পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছে।’

মানিকগঞ্জের ঘিওরে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। বিক্ষোভ শেষে ঘিওর উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘেরাও করেন স্থানীয়রা। আজ সোমবার ঘিওর উপজেলার বৈলট, কৈশুন্ডা, বাটোরাকান্দি ও মাইলাগীর এলাকাবাসী বিদ্যুৎ ভোগান্তির কারণে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এলাকাবাসী ঘিওর জোনাল বিদ্যুৎ অফিসের প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন।
ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হারুন অর রশিদ বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে আমার ও আশপাশের এলাকার লোকজনের ফ্রিজ, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক জিনিস বিকল হয়ে গেছে।
বৈলট বাজার বণিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ঘিওর উপজেলার ঘিওর ইউনিয়নের বৈলট গ্রামের বাজার থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকার বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিদিন সকাল কিংবা বিকেলে ১৫ / ২০ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এ ছাড়া আমাদের ব্যবসায়ী মহলের ব্যবসায়ও ক্ষতি হচ্ছে। এ সমস্যার বিষয়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভাগের লোকেদের জানানো হলেও ভোগান্তি কমেনি; বরং বেড়েছে।
ঘিওর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমি ঘিওর উপজেলা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, অসময়ে বিভিন্ন খাল-বিল ও নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ লাইনের চরম ক্ষতি হচ্ছে। বিদ্যুৎ লাইন রক্ষার্থে আমাদের সময়ে-অসময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঘিওর উপজেলা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি ঘিওরে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমি ঘিওরকে মডেল থানা হিসেবে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছি। জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানুষের সেবায় মাঠ পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে যাচ্ছে।’

রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
১০ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ শহীদ সারোয়ার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি। কারাগারে বসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ হওয়ায়...
১৮ মিনিট আগে
স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে তিন মাছ ব্যবসায়ী মাওনা বাজার এলাকার পিয়ার আলী কলেজের পুকুরে জাল টানতে নামেন। এ সময় জালে একটি ব্যাগ উঠে আসে। ব্যাগটি খোলার পর বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তাঁরা পুলিশে খবর দেন।
৩০ মিনিট আগে
শ্যামপুর গ্রামের সামছুল হক ৭ জানুয়ারি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ১৩ জানুয়ারি রাতে কুর্শা ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আব্দুল হালিম তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দাবি করেন, সামছুল কারাগারে হার্ট স্ট্রোক করেছেন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
৩৩ মিনিট আগে