প্রতিনিধি, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ)

হাসপাতালের চারপাশ ঘিরে গরু, ছাগল আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। হাসপাতালটিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই একজনও। উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের সেবা দেওয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ দুই জন চিকিৎসক হাসপাতাল চালাচ্ছেন। এমন অবস্থায় যারা সেবা নিতে এসে হতে হয় নাজেহাল আর ভর্তি হওয়া রোগীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে এমনই দুর্দশাপূর্ণ অবস্থা।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সরেজমিনে দেখা যায়, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে সেবা দিচ্ছেন দুজন চিকিৎসক। হাসপাতালের যত ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পাশের মাঠে। সেগুলো জমে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে করে দূষিত হয়ে পরছে হাসপাতালসহ ও আশপাশের পরিবেশ। হাসপাতালের সামনে সব সময় ভাড়ায় চালিত গাড়ি দিয়ে ভর্তি থাকে। হাসপাতালের ভেতর ঢুকলেও চোখে পড়ে নোংরা, আবর্জনা। টয়লেটগুলো, এমনকি রোগীদের শয্যাও পরিস্কার করা হয় না দিনের পর দিন। এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরেই নষ্ট যার কারনে পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।
ছয় দিন যাবৎ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরশেদ আলী। সুস্থ হতে এসে সামগ্রিক পরিবেশ তাঁকে সুস্থ হতে দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, হাসপাতালে দুর্গন্ধে থাকা যায় না। টয়লেট নোংরা, বেড নোংরা, ৬ দিন ধরে একই বিছানায় আছি একবারও এই বিছানার চাদর পাল্টানো হয়নি।
ভর্তি থাকা আরেক রোগী কাশেম বলেন, 'আমি তিন দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি আছি। এ পর্যন্ত একবার ডাক্তার পাইছি, টয়লেটে যাওয়া যায় না গন্ধ, ফ্যানগুলো নষ্ট হইয়া আছে, গরমে থাকা যাইতাছে না। সুস্থ হইতাছি নাকি অসুস্থ হইতাছি বুঝতেছিনা।'
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিক মিলিয়ে মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ১৯টি। নিয়োগকৃত ডাক্তার আছেন ৭ জন। এর মধ্যে ৪ জন ডেপুটেশনে। বাকি পদগুলো শূণ্য। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ চিকিৎসা দেন শুধু দুজন চিকিৎসক। একমাত্র পরিচ্ছন্নতা কর্মী অবসরে যাওয়ার পর আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরেই নষ্ট।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ বাহাউদ্দীন বলেন, 'পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে হাসপাতালের এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কোনো পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই। আমি ব্যক্তিগত ভাবে পরিচ্ছন্নতা কর্মী রেখেছি তাদের দিয়ে যতটুকু সম্ভব হাসপাতাল পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছি। হাসপাতালের মাঠে যে গরু দেখছেন এগুলো স্থানীয় প্রভাশালীদের গরু। হাসপাতালের পকেট গেট দিয়ে এগুলো নিয়ে আসে। অনেক নিষেধ করা পরও তারা অবাধে গরু, ছাগল, ঘোড়া দিয়ে মাঠ নোংরা করে ফেলছে। ওরা আমাদের কথা শোনেন না। অনেকবার উপজেলা প্রশাসনের সভায় ওই গেট বন্ধ রাখার কথা বলেছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
তিনি আরও বলেন, 'এই হাসপাতালে মূলত চিকিৎসক সংকট টা মূল। ১৯ জন ডাক্তার এখানে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র দুজন দিয়ে চালাতে হচ্ছে। পর্যাপ্ত লোকবল না পেলে এত সমস্যা সমাধান করা আমার জন্য কঠিন।'

হাসপাতালের চারপাশ ঘিরে গরু, ছাগল আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। হাসপাতালটিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই একজনও। উপজেলার তিন লক্ষাধিক মানুষের সেবা দেওয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ দুই জন চিকিৎসক হাসপাতাল চালাচ্ছেন। এমন অবস্থায় যারা সেবা নিতে এসে হতে হয় নাজেহাল আর ভর্তি হওয়া রোগীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে এমনই দুর্দশাপূর্ণ অবস্থা।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সরেজমিনে দেখা যায়, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে সেবা দিচ্ছেন দুজন চিকিৎসক। হাসপাতালের যত ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পাশের মাঠে। সেগুলো জমে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে করে দূষিত হয়ে পরছে হাসপাতালসহ ও আশপাশের পরিবেশ। হাসপাতালের সামনে সব সময় ভাড়ায় চালিত গাড়ি দিয়ে ভর্তি থাকে। হাসপাতালের ভেতর ঢুকলেও চোখে পড়ে নোংরা, আবর্জনা। টয়লেটগুলো, এমনকি রোগীদের শয্যাও পরিস্কার করা হয় না দিনের পর দিন। এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরেই নষ্ট যার কারনে পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।
ছয় দিন যাবৎ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরশেদ আলী। সুস্থ হতে এসে সামগ্রিক পরিবেশ তাঁকে সুস্থ হতে দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, হাসপাতালে দুর্গন্ধে থাকা যায় না। টয়লেট নোংরা, বেড নোংরা, ৬ দিন ধরে একই বিছানায় আছি একবারও এই বিছানার চাদর পাল্টানো হয়নি।
ভর্তি থাকা আরেক রোগী কাশেম বলেন, 'আমি তিন দিন ধইরা হাসপাতালে ভর্তি আছি। এ পর্যন্ত একবার ডাক্তার পাইছি, টয়লেটে যাওয়া যায় না গন্ধ, ফ্যানগুলো নষ্ট হইয়া আছে, গরমে থাকা যাইতাছে না। সুস্থ হইতাছি নাকি অসুস্থ হইতাছি বুঝতেছিনা।'
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিক মিলিয়ে মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ১৯টি। নিয়োগকৃত ডাক্তার আছেন ৭ জন। এর মধ্যে ৪ জন ডেপুটেশনে। বাকি পদগুলো শূণ্য। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ চিকিৎসা দেন শুধু দুজন চিকিৎসক। একমাত্র পরিচ্ছন্নতা কর্মী অবসরে যাওয়ার পর আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরেই নষ্ট।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ বাহাউদ্দীন বলেন, 'পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে হাসপাতালের এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কোনো পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই। আমি ব্যক্তিগত ভাবে পরিচ্ছন্নতা কর্মী রেখেছি তাদের দিয়ে যতটুকু সম্ভব হাসপাতাল পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছি। হাসপাতালের মাঠে যে গরু দেখছেন এগুলো স্থানীয় প্রভাশালীদের গরু। হাসপাতালের পকেট গেট দিয়ে এগুলো নিয়ে আসে। অনেক নিষেধ করা পরও তারা অবাধে গরু, ছাগল, ঘোড়া দিয়ে মাঠ নোংরা করে ফেলছে। ওরা আমাদের কথা শোনেন না। অনেকবার উপজেলা প্রশাসনের সভায় ওই গেট বন্ধ রাখার কথা বলেছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
তিনি আরও বলেন, 'এই হাসপাতালে মূলত চিকিৎসক সংকট টা মূল। ১৯ জন ডাক্তার এখানে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র দুজন দিয়ে চালাতে হচ্ছে। পর্যাপ্ত লোকবল না পেলে এত সমস্যা সমাধান করা আমার জন্য কঠিন।'

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
৯ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
১৬ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
২২ মিনিট আগে