সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ–২ আসনের সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন। আপনাদের সংসারের খেয়াল রাখেন। শেখ হাসিনাকে আপনারা মনে রাখবেন কারণ, তার সরকার মাতৃত্বকালীন ভাতা, নারী পরিত্যক্ত ভাতা, বিধবা ভাতাসহ নারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে।’
আজ সোমবার মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের বনগাজা গ্রামে বিশেষ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মমতাজ বেগম বলেন, ‘একজন নারীকে তার সন্তান বা স্বামী যদি ভাত না দেন, শেখ হাসিনার সরকার কিন্তু তাদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। অনেক নারী আমাকে বলেন, আমার সন্তান আমাকে ভাত দেয় না, কিন্তু শেখ হাসিনা আমাকে ভাত দেয়।’
তিনি বলেন, ‘আমাকে যদি নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়। নৌকায় ভোট দেওয়া মানে শেখ হাসিনাকে ভোট দেওয়া। কারণ, আমি যদি বিজয়ী হই শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবার প্রধানমন্ত্রী বানাবেন।’
মমতাজ বেগম আরও বলেন, ‘দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হলে আরও কয়েকগুণ বেশি উন্নয়ন হবে। আর যদি অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে, ভালো ভালো উন্নয়নমূলক কাজগুলো বন্ধ করে দেবেন। তারা প্রথমে দেশের উন্নয়ন বাদ দিয়ে আগে তাদের পেট ভরবে।’
এ সময় উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জামাল নাসের খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারা খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান হিরো, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম সানি, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহা জাহান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মানিকগঞ্জ–২ আসনের সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন। আপনাদের সংসারের খেয়াল রাখেন। শেখ হাসিনাকে আপনারা মনে রাখবেন কারণ, তার সরকার মাতৃত্বকালীন ভাতা, নারী পরিত্যক্ত ভাতা, বিধবা ভাতাসহ নারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে।’
আজ সোমবার মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের বনগাজা গ্রামে বিশেষ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মমতাজ বেগম বলেন, ‘একজন নারীকে তার সন্তান বা স্বামী যদি ভাত না দেন, শেখ হাসিনার সরকার কিন্তু তাদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। অনেক নারী আমাকে বলেন, আমার সন্তান আমাকে ভাত দেয় না, কিন্তু শেখ হাসিনা আমাকে ভাত দেয়।’
তিনি বলেন, ‘আমাকে যদি নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়। নৌকায় ভোট দেওয়া মানে শেখ হাসিনাকে ভোট দেওয়া। কারণ, আমি যদি বিজয়ী হই শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবার প্রধানমন্ত্রী বানাবেন।’
মমতাজ বেগম আরও বলেন, ‘দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হলে আরও কয়েকগুণ বেশি উন্নয়ন হবে। আর যদি অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে, ভালো ভালো উন্নয়নমূলক কাজগুলো বন্ধ করে দেবেন। তারা প্রথমে দেশের উন্নয়ন বাদ দিয়ে আগে তাদের পেট ভরবে।’
এ সময় উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জামাল নাসের খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারা খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান হিরো, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম সানি, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহা জাহান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে