মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আরও ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শিশুটির বোন, প্রতিবেশীসহ ১০ জন সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য নেন। এ নিয়ে মোট ১৫ জন আদালতের কাছে ঘটনার সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম দিনে দুজন ও দ্বিতীয় দিনে তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
আগামীকাল বুধবার আহত শিশুটিকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া মাগুরা ও ফরিদপুর হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে বলে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।
সাক্ষ্য গ্রহণকালে মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে এনে আদালতে হাজির করে পুলিশ।
পিপি মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) শিশুটির বোন, প্রতিবেশীসহ ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। আগামীকাল (বুধবার) মাগুরা ও ফরিদপুর হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।’
২৩ এপ্রিল মামলার চার আসামি–শিশুটির বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি, বোনের স্বামী ও ভাশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মাগুরা লিগ্যাল এইডের পক্ষ থেকে আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন সোহেল আহম্মেদ।
এর আগে গত ৬ মার্চ মাগুরা সদরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে আট বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সে মারা যায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
আরও পড়ুন :

মাগুরায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আরও ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শিশুটির বোন, প্রতিবেশীসহ ১০ জন সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য নেন। এ নিয়ে মোট ১৫ জন আদালতের কাছে ঘটনার সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম দিনে দুজন ও দ্বিতীয় দিনে তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
আগামীকাল বুধবার আহত শিশুটিকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া মাগুরা ও ফরিদপুর হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে বলে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।
সাক্ষ্য গ্রহণকালে মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ঝিনাইদহ জেলা কারাগার থেকে এনে আদালতে হাজির করে পুলিশ।
পিপি মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) শিশুটির বোন, প্রতিবেশীসহ ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। আগামীকাল (বুধবার) মাগুরা ও ফরিদপুর হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।’
২৩ এপ্রিল মামলার চার আসামি–শিশুটির বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি, বোনের স্বামী ও ভাশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মাগুরা লিগ্যাল এইডের পক্ষ থেকে আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে রয়েছেন সোহেল আহম্মেদ।
এর আগে গত ৬ মার্চ মাগুরা সদরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে আট বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সে মারা যায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
আরও পড়ুন :

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৮ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
২২ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১ ঘণ্টা আগে