মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডেফুলিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তি মারা যান।
এর আগে বুধবার বিকেলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। তাঁরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। নিহত ব্যক্তির নাম ওয়াজেদ আলী মোল্লা (৫০)। তিনি ওই এলাকার মৃত তোরাব আলীর ছেলে।
ওয়াজেদ আলী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তাঁর ভাই মনিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এলে দাফনের পর থানায় অভিযোগের বিষয় সিদ্ধান্ত নেবেন।
স্থানীয়রা জানায়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ ও জেলা বিএনপির সদস্য মনোয়ার হোসোন খানের সমর্থকেরা সামাজিক বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। যিনি মারা গেছেন তিনি মনোয়ার হোসেনের পক্ষের সমর্থক বলে তাঁর ভাই মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য ও মনোয়ার হোসেনের ভাই কিজিল হোসেন বলেন, ‘মূলত সামাজিক গণ্ডগোল থেকে এটা ঘটেছে। এখানে সব পক্ষই বিএনপির রাজনীতি করে। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছি। সামান্য ঘটনায় দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।’
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহোদী হাসান রাসেল গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় জানান, গত বুধবার সামান্য ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দুই পক্ষই বিএনপির রাজনীতি করে। এতে কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। গতকাল সন্ধ্যার পর ডেফুলিয়ার একজন ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে শুনেছেন। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই পুলিশের কাছে এখন পর্যন্ত অভিযোগ দেয়নি।

মাগুরা সদর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডেফুলিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তি মারা যান।
এর আগে বুধবার বিকেলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। তাঁরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। নিহত ব্যক্তির নাম ওয়াজেদ আলী মোল্লা (৫০)। তিনি ওই এলাকার মৃত তোরাব আলীর ছেলে।
ওয়াজেদ আলী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তাঁর ভাই মনিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এলে দাফনের পর থানায় অভিযোগের বিষয় সিদ্ধান্ত নেবেন।
স্থানীয়রা জানায়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ ও জেলা বিএনপির সদস্য মনোয়ার হোসোন খানের সমর্থকেরা সামাজিক বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। যিনি মারা গেছেন তিনি মনোয়ার হোসেনের পক্ষের সমর্থক বলে তাঁর ভাই মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য ও মনোয়ার হোসেনের ভাই কিজিল হোসেন বলেন, ‘মূলত সামাজিক গণ্ডগোল থেকে এটা ঘটেছে। এখানে সব পক্ষই বিএনপির রাজনীতি করে। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছি। সামান্য ঘটনায় দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।’
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহোদী হাসান রাসেল গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় জানান, গত বুধবার সামান্য ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দুই পক্ষই বিএনপির রাজনীতি করে। এতে কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। গতকাল সন্ধ্যার পর ডেফুলিয়ার একজন ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে শুনেছেন। এ ঘটনায় কোনো পক্ষই পুলিশের কাছে এখন পর্যন্ত অভিযোগ দেয়নি।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৭ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৮ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৬ মিনিট আগে