মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় জঙ্গি সন্দেহে সাত শিক্ষার্থীকে পুলিশে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাগুরা সদর থানায় নিয়েছে পুলিশ।
তাঁরা নাশকতার সঙ্গে জড়িত কি না—এমন সন্দেহে আটক করেছে বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল।
সন্দেহভাজন সাত শিক্ষার্থী হলেন—ইয়ামিন সাকিব, রাজন হোসেন, ফয়সাল আহমেদ, আশিকুজ্জামান হৃদয়, তানজিম হাসান, জুয়েল রানা, তামিমুল ইসলাম। তাঁরা কলেজে পড়েন। তাঁদের বাড়ি মাগুরা-যশোর সীমান্তে কাতলি গ্রাম ও দ্বারিয়াপুর এলাকায়।
পুলিশ জানায়, এই সাতজন সরকারি কলেজ রোড থেকে মাগুরা পুলিশ সুপার কার্যালয় এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করে পুলিশ। এ সময় তাঁদের মোবাইল ফোন নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কোটা আন্দোলনের সম্পৃক্ততা পান। এ ছাড়া তাঁদের কারও ফেসবুক আইডিতে জেহাদি ও সরকারবিরোধী পোস্ট দেখা যায়। এ অবস্থায় পুলিশের হাতে এ শিক্ষার্থীদের তুলে দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এরা জঙ্গি হতে পারে। তাদের চলাফেরা, কথাবার্তা সন্দেহজনক। তাদের মোবাইল ফোনে বিতর্কিত অনেক গ্রুপের সন্ধান পেয়েছি আমরা। এ জন্য পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোবাশ্বের হোসাইন বলেন, যেহেতু তারা শিক্ষার্থী, অন্য জেলায় পড়াশোনা করে। আজ মাগুরায় ঘোরাফেরা করছে সংঘবদ্ধভাবে, এ জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মাগুরায় জঙ্গি সন্দেহে সাত শিক্ষার্থীকে পুলিশে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাগুরা সদর থানায় নিয়েছে পুলিশ।
তাঁরা নাশকতার সঙ্গে জড়িত কি না—এমন সন্দেহে আটক করেছে বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল।
সন্দেহভাজন সাত শিক্ষার্থী হলেন—ইয়ামিন সাকিব, রাজন হোসেন, ফয়সাল আহমেদ, আশিকুজ্জামান হৃদয়, তানজিম হাসান, জুয়েল রানা, তামিমুল ইসলাম। তাঁরা কলেজে পড়েন। তাঁদের বাড়ি মাগুরা-যশোর সীমান্তে কাতলি গ্রাম ও দ্বারিয়াপুর এলাকায়।
পুলিশ জানায়, এই সাতজন সরকারি কলেজ রোড থেকে মাগুরা পুলিশ সুপার কার্যালয় এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। এরপর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করে পুলিশ। এ সময় তাঁদের মোবাইল ফোন নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কোটা আন্দোলনের সম্পৃক্ততা পান। এ ছাড়া তাঁদের কারও ফেসবুক আইডিতে জেহাদি ও সরকারবিরোধী পোস্ট দেখা যায়। এ অবস্থায় পুলিশের হাতে এ শিক্ষার্থীদের তুলে দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এরা জঙ্গি হতে পারে। তাদের চলাফেরা, কথাবার্তা সন্দেহজনক। তাদের মোবাইল ফোনে বিতর্কিত অনেক গ্রুপের সন্ধান পেয়েছি আমরা। এ জন্য পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোবাশ্বের হোসাইন বলেন, যেহেতু তারা শিক্ষার্থী, অন্য জেলায় পড়াশোনা করে। আজ মাগুরায় ঘোরাফেরা করছে সংঘবদ্ধভাবে, এ জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে