
মাদারীপুর সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রাম থেকে সুমি আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমি আক্তার মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার পূর্ব দর্শনা এলাকার চান্দু মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ, স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আড়াই বছর আগে সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের ইরান হাওলাদারের ছেলে আকবর হাওলাদারের সঙ্গে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের মধ্যে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কলহ শুরু হয়। সম্প্রতি দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সুমিকে চাপ দেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গতকাল রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সুমি আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে আকবর হাওলাদার। খবর পেয়ে আজ সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত আকবর হাওলাদারসহ তাঁর পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা খতিয়ে দেখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যার কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজধানীর আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলে অবস্থানকারী অতিথিদের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। প্রয়োজনের সময় যাতে এসব তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়, সে জন্য হোটেলগুলো থেকে অতিথিদের তথ্য সংগ্রহে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চি
২ মিনিট আগে
ফরিদপুরের পদ্মা নদীর কবিরপুর চর এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। ২৩ দিনের ব্যবধানে নদী থেকে দুই অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার হলেও কারও পরিচয় মেলেনি। পুলিশ বলছে, পচনের কারণে পরিচয় শনাক্তে জটিলতা হচ্ছে।
১৫ মিনিট আগে
নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ইকরামুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল থেকে ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন ও আন্দোলনের মুখে থানা-পুলিশ ওই শিক্ষককে হেফাজতে নেয়।
১৯ মিনিট আগে
সাত বছর বয়সী শিশু মরিয়ম গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে সহপাঠীকে খুঁজতে তাদের বাড়িতে যায়। বাড়িতে সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলাম (৩২) ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মরদেহ চাপা দিয়ে রাখেন।
২১ মিনিট আগে