ইমতিয়াজ আহমেদ, শিবচর (মাদারীপুর)

মাদারীপুরের শিবচরকে ডিজিটাল উপজেলায় পরিণত করার লক্ষ্যে দুই বছর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছিল ৮৮০টি সিসি ক্যামেরা। যা উপজেলা, পৌরসভা ও থানা থেকে তদারকির জন্য স্থাপন করা হয় মনিটরিং কক্ষ। এখন বেশির ভাগ ক্যামেরার হদিস নেই। যা রয়েছে, তাও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে পুরো উপজেলাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ৩১ জানুয়ারি বেশ ঘটা করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ওই সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, শিবচর দেশের প্রথম ডিজিটাল উপজেলা।
এখন সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা না থাকায় নানা অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। অপরাধী শনাক্ত করতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় একাধিকবার পুলিশের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার বিষয়টি উত্থাপিত হলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে খোদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। কিন্তু সেখানে সিসি ক্যামেরা না থাকায় অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিসি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পে অনিয়ম ঘটেছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। ক্যামেরা স্থাপন ও ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ২০২২ সালের ১১ মে আইপি কানেক্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী যুবলীগ নেতা মো. খায়রুজ্জামান খানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। সেখানে ক্যামেরা স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগসহ রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় উল্লেখ ছিল।
উপজেলার একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিষদগুলোর কতটি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে, তা জানা নেই। গত ৫ আগস্টের পর এগুলোর কোনো রক্ষণাবেক্ষণও নেই।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা ঠিক না থাকায় অপরাধী গ্রেপ্তারে আমাদের নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা কমিটির একাধিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেছি। পরে বাধ্য হয়ে বলেছি, প্রয়োজনে ব্যক্তিগতভাবে হলেও বাসাবাড়ি, বিপণিবিতান, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক। সর্বত্র সিসি ক্যামেরা সচল থাকলে অপরাধ কমে আসবে আবার অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করা যাবে।’
এ নিয়ে কথা হলে শিবচর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাইখা সুলতানা বলেন, ‘পৌরসভার আওতাধীন সিসি ক্যামেরাগুলো বর্তমানে অচল রয়েছে। অনেক স্থানের ক্যামেরা নষ্ট। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মাদারীপুরের শিবচরকে ডিজিটাল উপজেলায় পরিণত করার লক্ষ্যে দুই বছর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছিল ৮৮০টি সিসি ক্যামেরা। যা উপজেলা, পৌরসভা ও থানা থেকে তদারকির জন্য স্থাপন করা হয় মনিটরিং কক্ষ। এখন বেশির ভাগ ক্যামেরার হদিস নেই। যা রয়েছে, তাও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে পুরো উপজেলাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ৩১ জানুয়ারি বেশ ঘটা করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ওই সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, শিবচর দেশের প্রথম ডিজিটাল উপজেলা।
এখন সিসি ক্যামেরার কার্যকারিতা না থাকায় নানা অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। অপরাধী শনাক্ত করতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় একাধিকবার পুলিশের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার বিষয়টি উত্থাপিত হলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে খোদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। কিন্তু সেখানে সিসি ক্যামেরা না থাকায় অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিসি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পে অনিয়ম ঘটেছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। ক্যামেরা স্থাপন ও ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ২০২২ সালের ১১ মে আইপি কানেক্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী যুবলীগ নেতা মো. খায়রুজ্জামান খানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। সেখানে ক্যামেরা স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগসহ রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় উল্লেখ ছিল।
উপজেলার একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিষদগুলোর কতটি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে, তা জানা নেই। গত ৫ আগস্টের পর এগুলোর কোনো রক্ষণাবেক্ষণও নেই।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা ঠিক না থাকায় অপরাধী গ্রেপ্তারে আমাদের নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা কমিটির একাধিক মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেছি। পরে বাধ্য হয়ে বলেছি, প্রয়োজনে ব্যক্তিগতভাবে হলেও বাসাবাড়ি, বিপণিবিতান, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক। সর্বত্র সিসি ক্যামেরা সচল থাকলে অপরাধ কমে আসবে আবার অপরাধ সংঘটিত হলে দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করা যাবে।’
এ নিয়ে কথা হলে শিবচর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাইখা সুলতানা বলেন, ‘পৌরসভার আওতাধীন সিসি ক্যামেরাগুলো বর্তমানে অচল রয়েছে। অনেক স্থানের ক্যামেরা নষ্ট। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে