মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে সদর ও রাজৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সব কটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। তাই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুরের পুলিশ লাইনস্ মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন কর্মকর্তারা।
পরে ব্রিফিং করেন মাদারীপুর জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ সময় দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ১১৭টি ও রাজৈর উপজেলার ৬৯টি ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে প্রশাসন। এ জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাসুদ আলম বলেন, ৮ মে বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ। ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সে হিসাবে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ, ২০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এ ছাড়া সদর উপজেলায় ২৯টি ও রাজৈরে ১৪টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সদরে সাতটি ও রাজৈরে তিনটি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। সদর উপজেলায় ছয় প্লাটুন ও রাজৈরে চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে জেলায় গোয়েন্দা পুলিশ, র্যাব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করবেন। সবকিছু মিলিয়ে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খানের বড় ছেলে আসিবুর রহমান আসিব খান এবং শাজাহান খানের চাচাতো ভাই ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক খান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুজন ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মাদারীপুর সদর উপজেলা। এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ২২ হাজার ৪২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৬ হাজার, নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২১ জন। অন্যান্য ভোটার ৫ জন।
সদর উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ১১৭টি, যেখানে ৭৯৪টি কক্ষে ভোট দেবেন ভোটাররা।
এদিকে রাজৈর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী তিনজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজৈর উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ২ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫ হাজার ৪৪৫ জন, নারী ভোটারের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৯০৯ জন ও অন্যান্য ভোটার দুজন।
এই উপজেলায় ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫০০টি কক্ষে ভোট দেবেন ভোটাররা।

মাদারীপুরে সদর ও রাজৈর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সব কটি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। তাই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুরের পুলিশ লাইনস্ মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন কর্মকর্তারা।
পরে ব্রিফিং করেন মাদারীপুর জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ সময় দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ১১৭টি ও রাজৈর উপজেলার ৬৯টি ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে প্রশাসন। এ জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাসুদ আলম বলেন, ৮ মে বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ। ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সে হিসাবে প্রতিটি কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ, ২০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এ ছাড়া সদর উপজেলায় ২৯টি ও রাজৈরে ১৪টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সদরে সাতটি ও রাজৈরে তিনটি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। সদর উপজেলায় ছয় প্লাটুন ও রাজৈরে চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে জেলায় গোয়েন্দা পুলিশ, র্যাব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করবেন। সবকিছু মিলিয়ে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খানের বড় ছেলে আসিবুর রহমান আসিব খান এবং শাজাহান খানের চাচাতো ভাই ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক খান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুজন ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মাদারীপুর সদর উপজেলা। এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ২২ হাজার ৪২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৬ হাজার, নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২১ জন। অন্যান্য ভোটার ৫ জন।
সদর উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ১১৭টি, যেখানে ৭৯৪টি কক্ষে ভোট দেবেন ভোটাররা।
এদিকে রাজৈর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী তিনজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজৈর উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ২ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫ হাজার ৪৪৫ জন, নারী ভোটারের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৯০৯ জন ও অন্যান্য ভোটার দুজন।
এই উপজেলায় ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫০০টি কক্ষে ভোট দেবেন ভোটাররা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে