নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মাদারীপুরের কালকিনিতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেদেপল্লীর বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। আজ শনিবার কমিশনের উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায় মাদারীপুরের কালকিনিতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেদেপল্লির অন্তত ২০টি বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন। উক্ত ঘটনায় রাজনৈতিক পক্ষগুলো একে অপরকে দোষারোপ করছে এবং পরস্পরকে দায়ী করে বক্তব্য প্রদান করছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, এখনো মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রত্যেকের অধিকার। এটি প্রয়োগের কারণে যদি বেদে পল্লীর বাসিন্দাগণ হামলার শিকার হয়ে থাকেন তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’
কমিশন মনে করে, তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তবে বিভিন্ন সময় ক্ষেত্র বিশেষে কেউ কেউ জনগণকে বিভ্রান্ত করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অতীতেও এদের দমন করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছিল। সেরকমভাবে এখনো বাংলাদেশের প্রত্যেক সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। এক্ষেত্রে কেউ কারো অধিকার যাতে হরণ করতে না পারে সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা ও মানোন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।

মাদারীপুরের কালকিনিতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেদেপল্লীর বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। আজ শনিবার কমিশনের উপপরিচালক ফারহানা সাঈদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায় মাদারীপুরের কালকিনিতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেদেপল্লির অন্তত ২০টি বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন। উক্ত ঘটনায় রাজনৈতিক পক্ষগুলো একে অপরকে দোষারোপ করছে এবং পরস্পরকে দায়ী করে বক্তব্য প্রদান করছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, এখনো মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রত্যেকের অধিকার। এটি প্রয়োগের কারণে যদি বেদে পল্লীর বাসিন্দাগণ হামলার শিকার হয়ে থাকেন তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’
কমিশন মনে করে, তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তবে বিভিন্ন সময় ক্ষেত্র বিশেষে কেউ কেউ জনগণকে বিভ্রান্ত করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অতীতেও এদের দমন করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছিল। সেরকমভাবে এখনো বাংলাদেশের প্রত্যেক সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। এক্ষেত্রে কেউ কারো অধিকার যাতে হরণ করতে না পারে সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষা ও মানোন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে