মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের রাজৈরে বাবুল হাওলাদার নামের এক ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় ১৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে মাদারীপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন।
জানা গেছে, একটি চাঁদাবাজি মামলার সাক্ষী ছিলেন রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গ্রামের বাবুল। এরই জেরে ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ৬ জানুয়ারি ৪২ জনের নামে রাজৈর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বড় ছেলে ইমরান হাওলাদার। মামলায় গতকাল বিকেলে শাখারপাড় এলাকার সাহেবালী মুন্সি (৬৫), খোকন মুন্সি (৪৫), সাহাবুদ্দিন মুন্সি (৫৮), লাবলু মুন্সি (৫৮) ও হান্নান মুন্সিকে (৫৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার রায়ের সময় হান্নান মুন্সি ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নিহতের ছোট ছেলে আসাদুল হাওলাদার বলেন, ‘আমরা রায়ে সন্তুষ্ট হইনি। আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাব বলে প্রত্যাশা করছি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী ফয়জুর রহমান হিরু বলেন, ‘এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমরা এই আপিল করব।’

মাদারীপুরের রাজৈরে বাবুল হাওলাদার নামের এক ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় ১৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে মাদারীপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন।
জানা গেছে, একটি চাঁদাবাজি মামলার সাক্ষী ছিলেন রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় গ্রামের বাবুল। এরই জেরে ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ৬ জানুয়ারি ৪২ জনের নামে রাজৈর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বড় ছেলে ইমরান হাওলাদার। মামলায় গতকাল বিকেলে শাখারপাড় এলাকার সাহেবালী মুন্সি (৬৫), খোকন মুন্সি (৪৫), সাহাবুদ্দিন মুন্সি (৫৮), লাবলু মুন্সি (৫৮) ও হান্নান মুন্সিকে (৫৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার রায়ের সময় হান্নান মুন্সি ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নিহতের ছোট ছেলে আসাদুল হাওলাদার বলেন, ‘আমরা রায়ে সন্তুষ্ট হইনি। আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাব বলে প্রত্যাশা করছি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী ফয়জুর রহমান হিরু বলেন, ‘এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমরা এই আপিল করব।’

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে