লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বারাজান এসসি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সরকার। আজ বৃহস্পতিবার চাকরি জীবনের শেষ দিন তাঁর। প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয়ের আঙিনায় ঢল নামে শিক্ষার্থীদের। সুসজ্জিত ঘোড়ার টমটম গাড়িতে করে রাজকীয়ভাবে বাড়ি পৌঁছে দেন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী। এই বিদায় যেন শুধু এক শিক্ষকের নয়, বরং শিক্ষার প্রতি এক অন্তহীন শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।
প্রদীপ কুমার সরকার দীর্ঘদিন ধরে বারাজান এসসি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবনে তিনি আলোর দিশারি হয়ে ছিলেন। তাঁর অবসরের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহকর্মী এবং অভিভাবকেরা আয়োজন করেন ব্যতিক্রমী এ বিদায় অনুষ্ঠান।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সেজেছিল রঙিন সাজে। বিদায়ী শিক্ষককে ঘিরে আয়োজিত হয় এক আবেগঘন আলোচনা সভা, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। তাঁকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা, ফুলেল শুভেচ্ছা। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল সুসজ্জিত টমটম গাড়িতে তাঁর বিদায়যাত্রা। শিক্ষককে বসানো হয় ঐতিহ্যবাহী টমটমে, আর তাঁর পাশে বসেন তাঁর স্ত্রী, রানীর সাজে। চারপাশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক আর এলাকাবাসীর ঢল। বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই বিদায়যাত্রায় পথচারীরাও অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন—এ যেন এক নীরব স্বীকৃতি একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রতি।
গাড়িতে ওঠার সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে ফুলের মালা পরিয়ে, ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রদীপ কুমার সরকার। বিদায়ের মুহূর্তে তিনি বলেন, ‘আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।’ তাঁর এই কথায় সবার চোখেই পানি চলে আসে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিদায় বড় কষ্টের, তবুও মানতে হবে। একজন শিক্ষকের বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন করা হয়েছে। এটি শুধু বিদায় নয়, একজন শিক্ষকের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।’
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ‘একজন শিক্ষক যখন চাকরিজীবন শেষে বিদায় নেন, তখন অনেক কষ্ট পান। সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাওয়া সহজ নয়। বিদায়ের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে। জেলায় প্রথমবারের মতো এমন উৎসবমুখর বিদায় অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষকের বিদায় এমনই হওয়া উচিত।’

বিদায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাকিনা উত্তর বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ সরকার, তুষভান্ডার মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার এ কে এম মঈনুল হক, চলবলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাপ হোসেন প্রমুখ।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বারাজান এসসি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সরকার। আজ বৃহস্পতিবার চাকরি জীবনের শেষ দিন তাঁর। প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয়ের আঙিনায় ঢল নামে শিক্ষার্থীদের। সুসজ্জিত ঘোড়ার টমটম গাড়িতে করে রাজকীয়ভাবে বাড়ি পৌঁছে দেন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী। এই বিদায় যেন শুধু এক শিক্ষকের নয়, বরং শিক্ষার প্রতি এক অন্তহীন শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।
প্রদীপ কুমার সরকার দীর্ঘদিন ধরে বারাজান এসসি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবনে তিনি আলোর দিশারি হয়ে ছিলেন। তাঁর অবসরের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহকর্মী এবং অভিভাবকেরা আয়োজন করেন ব্যতিক্রমী এ বিদায় অনুষ্ঠান।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সেজেছিল রঙিন সাজে। বিদায়ী শিক্ষককে ঘিরে আয়োজিত হয় এক আবেগঘন আলোচনা সভা, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। তাঁকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা, ফুলেল শুভেচ্ছা। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল সুসজ্জিত টমটম গাড়িতে তাঁর বিদায়যাত্রা। শিক্ষককে বসানো হয় ঐতিহ্যবাহী টমটমে, আর তাঁর পাশে বসেন তাঁর স্ত্রী, রানীর সাজে। চারপাশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক আর এলাকাবাসীর ঢল। বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া এই বিদায়যাত্রায় পথচারীরাও অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন—এ যেন এক নীরব স্বীকৃতি একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রতি।
গাড়িতে ওঠার সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে ফুলের মালা পরিয়ে, ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রদীপ কুমার সরকার। বিদায়ের মুহূর্তে তিনি বলেন, ‘আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।’ তাঁর এই কথায় সবার চোখেই পানি চলে আসে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিদায় বড় কষ্টের, তবুও মানতে হবে। একজন শিক্ষকের বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যতিক্রমী এই আয়োজন করা হয়েছে। এটি শুধু বিদায় নয়, একজন শিক্ষকের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।’
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ‘একজন শিক্ষক যখন চাকরিজীবন শেষে বিদায় নেন, তখন অনেক কষ্ট পান। সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাওয়া সহজ নয়। বিদায়ের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে। জেলায় প্রথমবারের মতো এমন উৎসবমুখর বিদায় অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষকের বিদায় এমনই হওয়া উচিত।’

বিদায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাকিনা উত্তর বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ সরকার, তুষভান্ডার মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার এ কে এম মঈনুল হক, চলবলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাপ হোসেন প্রমুখ।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে