কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার পুলিশের দুজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) চারজন, মাদক কারবারির ছুরিকাঘাতে আহত হন। এ ঘটনায় মাদক কারবারি তোফাজুল হোসেন তোফাকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার তোফাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাতে কালীগঞ্জ থানা-পুলিশ উপজেলার দহগ্রাম এলাকা থেকে মাদক কারবারি তোফাজুল হোসেন তোফাকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তোফাজুল হোসেন উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীখাতা এলাকার মৃত আহম্মেদ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ বলছে, গত ১২ মে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের সিরাজুল মার্কেট এলাকায় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাড়ি তল্লাশি করছিল। এ সময় রংপুরের দিকে যাওয়া একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে গাড়িচালক ও তাঁর এক সহযোগী প্রাইভেট কার থেকে নেমে কালীগঞ্জ থানার দুই পুলিশ সদস্য এএসআই মো. শাহজাহান এবং এএসআই মো. মমতাজ উদ্দিনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে সহায়তার জন্য এগিয়ে এলে মাদক কারবারিরা স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় আহত দুজন হলেন চর ইশোরকোল এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে মো. মজমুল ইসলাম ও একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল খালেক। পরে তাদের ফেলে রাখা গাড়ি তল্লাশি করে ১৮০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হলে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মাদক কারবারি তোফাজুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসূল বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীর যোগসাজশ ও জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। তাঁকে আজ রোববার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার পুলিশের দুজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) চারজন, মাদক কারবারির ছুরিকাঘাতে আহত হন। এ ঘটনায় মাদক কারবারি তোফাজুল হোসেন তোফাকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার তোফাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাতে কালীগঞ্জ থানা-পুলিশ উপজেলার দহগ্রাম এলাকা থেকে মাদক কারবারি তোফাজুল হোসেন তোফাকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তোফাজুল হোসেন উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীখাতা এলাকার মৃত আহম্মেদ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ বলছে, গত ১২ মে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের সিরাজুল মার্কেট এলাকায় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাড়ি তল্লাশি করছিল। এ সময় রংপুরের দিকে যাওয়া একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে গাড়িচালক ও তাঁর এক সহযোগী প্রাইভেট কার থেকে নেমে কালীগঞ্জ থানার দুই পুলিশ সদস্য এএসআই মো. শাহজাহান এবং এএসআই মো. মমতাজ উদ্দিনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে সহায়তার জন্য এগিয়ে এলে মাদক কারবারিরা স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় আহত দুজন হলেন চর ইশোরকোল এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে মো. মজমুল ইসলাম ও একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল খালেক। পরে তাদের ফেলে রাখা গাড়ি তল্লাশি করে ১৮০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হলে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মাদক কারবারি তোফাজুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসূল বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীর যোগসাজশ ও জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। তাঁকে আজ রোববার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে