হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় শরিফুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক নিখোঁজের তিন মাস পরও বাড়ি ফেরেনি। ছেলেকে ফিরে পেতে আহাজারি করছেন বৃদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় গতকাল রোববার বিকেলে বাবা আশরাফ আলী হাতীবান্ধা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ১২ জুন বাড়ি থেকে রংপুরের উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হন শরিফুল।
শরিফুল ইসলাম হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আশরাফ আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম ২০১৮ সালে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। নিখোঁজের পর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। এদিকে তিন মাস পেরিয়ে গেলেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে বৃদ্ধ বাবা-মা চরম উদ্বিগ্নতায় দিন কাটাচ্ছেন। সাদা কালো রঙের পাঞ্জাবি ও কালো ফুল প্যান্ট পরে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শরিফুল। তার উচ্চতা আনুমানিক পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামলা, মুখমণ্ডল গোলাকার, দেহের গড়ন মাঝারি।
শরিফুল ইসলামের মা আন্না বেগম (৪৭) কান্নাজড়িত কণ্ঠে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছেলে রংপুরে যাওয়ার কথা বলে গত তিন মাস ধরে নিখোঁজ। বেঁচে আছে কি মরে গেছে আল্লাহ জানে। বাড়িতে বসে আছি ছেলে আসার অপেক্ষায়।’
শরিফুল সম্পর্কে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শরিফুল অত্যন্ত ভদ্র ছেলে। বাড়িতে তাঁর বাবা মায়ের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ কিছুই হয়নি। সে এভাবে নিখোঁজ হওয়ার কথা না।’
হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন বলেন, ‘আশরাফ আলীর ছেলে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জেনেছি। আমরাও তাঁর সন্ধানের চেষ্টা করছি’
হাতীবান্ধা থানায় গতকাল রোববার একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর বাবা আশরাফ আলী। এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘নিখোঁজের ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে। শরিফুলের সন্ধানে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় শরিফুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবক নিখোঁজের তিন মাস পরও বাড়ি ফেরেনি। ছেলেকে ফিরে পেতে আহাজারি করছেন বৃদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় গতকাল রোববার বিকেলে বাবা আশরাফ আলী হাতীবান্ধা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ১২ জুন বাড়ি থেকে রংপুরের উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হন শরিফুল।
শরিফুল ইসলাম হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আশরাফ আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম ২০১৮ সালে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। নিখোঁজের পর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। এদিকে তিন মাস পেরিয়ে গেলেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে বৃদ্ধ বাবা-মা চরম উদ্বিগ্নতায় দিন কাটাচ্ছেন। সাদা কালো রঙের পাঞ্জাবি ও কালো ফুল প্যান্ট পরে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শরিফুল। তার উচ্চতা আনুমানিক পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামলা, মুখমণ্ডল গোলাকার, দেহের গড়ন মাঝারি।
শরিফুল ইসলামের মা আন্না বেগম (৪৭) কান্নাজড়িত কণ্ঠে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছেলে রংপুরে যাওয়ার কথা বলে গত তিন মাস ধরে নিখোঁজ। বেঁচে আছে কি মরে গেছে আল্লাহ জানে। বাড়িতে বসে আছি ছেলে আসার অপেক্ষায়।’
শরিফুল সম্পর্কে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শরিফুল অত্যন্ত ভদ্র ছেলে। বাড়িতে তাঁর বাবা মায়ের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ কিছুই হয়নি। সে এভাবে নিখোঁজ হওয়ার কথা না।’
হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন বলেন, ‘আশরাফ আলীর ছেলে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জেনেছি। আমরাও তাঁর সন্ধানের চেষ্টা করছি’
হাতীবান্ধা থানায় গতকাল রোববার একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর বাবা আশরাফ আলী। এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘নিখোঁজের ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে। শরিফুলের সন্ধানে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে