লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। ভোগান্তিতে রয়েছে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষও।
পৌরবাসী অভিযোগ করেছেন, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে এখনো বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। পূর্ণিমার প্রভাবে নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি বাড়ায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলার উপকূলীয় এলাকার কিছু স্থানে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।
রামগতি আবহাওয়া সতর্কীকরণ অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। অফিসের কর্মকর্তা মো. সৌরভ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং পূর্ণিমার প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে। এটি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
টানা বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার শমসেরাবাদ, জেবি রোড, কলেজ রোড, বাঞ্ছানগর, মজুপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় রাস্তাঘাটে পানি জমে রয়েছে, চলাচল করছে না রিকশা ও যানবাহন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ, খাল দখল ও দূষণের কারণে পানি নামতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকে। দ্রুত নালা পরিষ্কার করে পানি অপসারণ না করলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন। কেউ কেউ বন্যার আশঙ্কাও করছেন, কারণ গত বছর এই সময়টাতেই বন্যা হয়েছিল।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি সরানোর কাজ চলছে। ড্রেন পরিষ্কার করে দ্রুত পানি অপসারণ করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা যেন না হয়, সে জন্য আশপাশের খালগুলো পরিষ্কার করার কাজ চলছে। এতে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা একযোগে কাজ করছে।’

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, মাসজুড়ে খালগুলো থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। যাতে পানি চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। ভোগান্তিতে রয়েছে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষও।
পৌরবাসী অভিযোগ করেছেন, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে এখনো বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। পূর্ণিমার প্রভাবে নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি বাড়ায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলার উপকূলীয় এলাকার কিছু স্থানে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।
রামগতি আবহাওয়া সতর্কীকরণ অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। অফিসের কর্মকর্তা মো. সৌরভ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং পূর্ণিমার প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে। এটি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
টানা বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার শমসেরাবাদ, জেবি রোড, কলেজ রোড, বাঞ্ছানগর, মজুপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় রাস্তাঘাটে পানি জমে রয়েছে, চলাচল করছে না রিকশা ও যানবাহন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ, খাল দখল ও দূষণের কারণে পানি নামতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে থাকে। দ্রুত নালা পরিষ্কার করে পানি অপসারণ না করলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন। কেউ কেউ বন্যার আশঙ্কাও করছেন, কারণ গত বছর এই সময়টাতেই বন্যা হয়েছিল।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি সরানোর কাজ চলছে। ড্রেন পরিষ্কার করে দ্রুত পানি অপসারণ করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা যেন না হয়, সে জন্য আশপাশের খালগুলো পরিষ্কার করার কাজ চলছে। এতে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা একযোগে কাজ করছে।’

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, মাসজুড়ে খালগুলো থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। যাতে পানি চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৯ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে