কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নানা বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে রিয়া খাতুন (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে থানায় ইউডি মামলা হলেও মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। অবশেষে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায় রিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গতকাল শুক্রবার কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে আসামি করেছেন রিয়ার মা, নানা–নানি, মামা–মামিকে। এদিকে মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার করে আজ শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের মধুপুর দুর্গাপুর এলাকা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশু রিয়া খাতুন কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের ভ্যানচালক মো. রাইহান ওরফে বাচ্চুর মেয়ে। সে মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
আসামিরা হলেন—ওই শিশুর মা মোছা. শিল্পী খাতুন (২৩), মামা রফিকুল ইসলাম (২৮), মামি মোছা. রুনা খাতুন (২৩), নানা মোহাম্মদ আলী (৫২) ও নানি মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)।
পুলিশ বলছে, গত ৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নানাবাড়ির গোয়ালঘর থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে ওই দিন রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। সন্দেহজনক হওয়ায় পরদিন শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে হয়।
গতকাল শুক্রবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে চিকিৎসক উল্লেখ করেন—ওই শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারকৃতদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা রাইহান।
পুলিশ জানায়, মামলার পরই আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ও ওই ছাত্রীর বাবা মো. রাইহান বলেন, ‘চার বছর আগে মেয়ের মা অন্য একজনকে বিয়ে করেছে। মেয়ে কখনো মায়ের কাছে, কখনো নানির বাড়িতে থাকত। হঠাৎ ৬ অক্টোবর খবর পাই মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আত্মহত্যার কোনো কারণ খুঁজে না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত করেছিলাম।’
রাইহান আরও বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি মেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। রাতে থানায় মামলা করেছি। আমি আমার মেয়ের খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহসীন হোসাইন বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। থানায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় মেয়ের মা, নানা, নানি, মামা ও মামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—পারিবারিক অর্থ–সম্পত্তির জেরে রিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।’

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নানা বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে রিয়া খাতুন (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে থানায় ইউডি মামলা হলেও মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। অবশেষে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায় রিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গতকাল শুক্রবার কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে আসামি করেছেন রিয়ার মা, নানা–নানি, মামা–মামিকে। এদিকে মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার করে আজ শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের মধুপুর দুর্গাপুর এলাকা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশু রিয়া খাতুন কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের ভ্যানচালক মো. রাইহান ওরফে বাচ্চুর মেয়ে। সে মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
আসামিরা হলেন—ওই শিশুর মা মোছা. শিল্পী খাতুন (২৩), মামা রফিকুল ইসলাম (২৮), মামি মোছা. রুনা খাতুন (২৩), নানা মোহাম্মদ আলী (৫২) ও নানি মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)।
পুলিশ বলছে, গত ৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নানাবাড়ির গোয়ালঘর থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে ওই দিন রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। সন্দেহজনক হওয়ায় পরদিন শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে হয়।
গতকাল শুক্রবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে চিকিৎসক উল্লেখ করেন—ওই শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারকৃতদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা রাইহান।
পুলিশ জানায়, মামলার পরই আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী ও ওই ছাত্রীর বাবা মো. রাইহান বলেন, ‘চার বছর আগে মেয়ের মা অন্য একজনকে বিয়ে করেছে। মেয়ে কখনো মায়ের কাছে, কখনো নানির বাড়িতে থাকত। হঠাৎ ৬ অক্টোবর খবর পাই মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু আত্মহত্যার কোনো কারণ খুঁজে না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত করেছিলাম।’
রাইহান আরও বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি মেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। রাতে থানায় মামলা করেছি। আমি আমার মেয়ের খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহসীন হোসাইন বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। থানায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় মেয়ের মা, নানা, নানি, মামা ও মামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—পারিবারিক অর্থ–সম্পত্তির জেরে রিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।’

পুরান ঢাকার ভাটিখানা এলাকা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে একটি মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
মাদারীপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
একের পর এক বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের। এবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এক শিক্ষকের টাঙানো ব্যানার খুলে নিজের ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন রাকসুর এই নেতা।
২ ঘণ্টা আগে
রংপুরের বদরগঞ্জে তিন দিন আগে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে। নিহত নারীর নাম মোছা. রিয়া। তিনি একজন পোশাককর্মী বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ রোববার দুপুরে পুলিশ তাঁর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে