
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পীর পরিচিতি পাওয়া আব্দুর রহমান শামিম (৬৫) হত্যার ঘটনায় করা মামলায় স্থানীয় জামায়াত কর্মী, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি, খেলাফত মজলিসের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে মামলার বাদী ফজলুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন। এর আগে সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে তিনি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন স্থানীয় জামায়াত কর্মী রাজিব মিস্ত্রি (৩২), জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহম্মেদ (৩৫), খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৫) এবং আবেদের ঘাট এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক সাফি। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, হামলার দিনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ইতিমধ্যে আরও ২২ থেকে ২৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
গত শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতা আব্দুর রহমান শামিমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় তাঁর তিনজন অনুসারী আহত হন। একই সঙ্গে তাঁর আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
ঘটনার পরদিন রোববার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে গ্রামের কবরস্থানে আব্দুর রহমান শামিমকে দাফন করা হয়।
মামলার বিষয়ে জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি খাজা আহম্মেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তিনি জানান, হামলার দিন বেলা ২টার দিকে স্থানীয় মসজিদের ইমাম, মুসল্লি ও এলাকাবাসী মিলে বসে আইনি উপায়ে বিষয়টি সমাধানের কথা ছিল। তবে হঠাৎ ফেসবুকে মিছিলের ছবি দেখে তিনি নিহত শামিমের বড় ভাই ফজুলর রহমান সান্টুকে ফোন দিয়ে সতর্ক করেন যে কিছু লোক আস্তানার দিকে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর সান্টু তাঁকে জানান, সেখানে হামলা ও ভাঙচুর শুরু হয়েছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে যেতে চাইলে সান্টু তাঁকে সেখানে যেতে নিষেধ করেন এবং হাসপাতালে যেতে বলেন। খাজা আহম্মেদ আরও জানান, পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর পর্যন্ত তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কেন মামলায় আসামি করা হয়েছে, তা তার বোধগম্য নয় বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে মামলার আরেক অভিযুক্ত খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, হামলা বা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সেদিন দুপুরে বসার কথা ছিল। এ বিষয়ে তাঁত সঙ্গে পুলিশেরও কথা হয়েছিল এবং তাঁরা আইনি সমাধানই চেয়েছিলেন। তবে তিনি দাবি করেন, বেলা আড়াইটার দিকে স্থানীয় কিছু লোক হামলা চালায় এবং তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান বেলা ৩টার কিছু আগে, যখন পরিস্থিতি তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
এ সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, হামলার সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে তাঁকে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে কাগজে মোড়ানো কিছু হাতে নিয়ে নামতে দেখা যায়—সেটি কে লুট করা কোনো মালামাল ছিল? জবাবে তিনি বলেন, না, সেটি সেখানে পড়ে থাকা একটি কোরআন শরিফ ও কিছু অজিফা ছিল, যা তিনি সংরক্ষণের জন্য নিচে নিয়ে আসেন। তিনি হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও অস্বীকার করেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘পল্লবীতে শিশু হত্যার বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ আছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা।’ আজ রোববার (৩১ মে) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়া
৯ মিনিট আগে
‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস’—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারে দোকানের উদ্দেশে রওনা হন তাঁর বাবা। তবে দুপুরের দিকে দোকানটি বন্ধ দেখেন ছানাউল্লাহ। পাশের দোকানদার জানান, তাঁর বাবা অসুস্থতার কথা বলে বাড়ি চলে গেছেন। তবে বাড়িতে নুরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় বাস ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে